মাওয়া লঞ্চ ঘাটে অকস্মিক ভাঙন : নদীগর্ভে ১৫ ফুট এলাকা

mawaপদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে মাওয়া নতুন রোরো ফেরি ঘাট সংলগ্ন মাওয়ার লঞ্চঘাট এলাকা আকস্মিক ভাঙনের কবলে। এতে অন্তত ১৫ ফুট এলাকা দেবে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ভাঙন দেখা দেয়।

স্থানীয় সূত্র জানান, ভাঙার কারণে লঞ্চঘাটের পল্টুনের ৩টি সিঁড়ির মধ্যে ২টি স্থানচ্যুত হয়ে গেছে। বাকি সিঁড়িটি যে কোনো সময়ে ভেঙে পড়তে পারে। এ ভাঙনের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত ১০ থেকে ১৫ দোকান সরিয়ে নেয় স্থানীয় দোকানিরা।

মাওয়া নৌ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান জানান, মাওয়া লঞ্চ ঘাট এলাকায় হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয় এতে লঞ্চ পল্টুনের ৩টি সিঁড়ির মধ্যে ২টি সিঁড়ি স্থানচ্যুত হয়ে পড়ে। এ ভাঙনে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ থেকে ১৫ এলাকা পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এদিকে গত দু’সপ্তাহে মাওয়া পুরাতন ফেরি ঘাট এলাকায় সাত হাজার বর্গমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নতুন করে লঞ্চঘাট ভাঙনে আতঙ্কে আছে এ এলাকার সংশ্লিষ্টরা।

শীর্ষ নিউজ
=========


মাওয়া লঞ্চঘাটে ভাঙন

তীব্র স্রোতের কারণে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়ার লঞ্চঘাট এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আকস্মিক ভাঙনে লঞ্চঘাটের পাড় ভেঙে পদ্মার ১৬ ফুট ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

এতে মাওয়া লঞ্চঘাটের বিশাল এলাকা ও লঞ্চঘাটের পন্টুনের ৩টি সিঁড়ির মধ্যে ২টি স্থানচ্যূত হয়ে গেছে। বাকি সিঁড়িটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়লে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে লঞ্চঘাট এলাকায় ভাঙন দেখা দেওয়ায় মাওয়া প্রান্তের রো রো ফেরিঘাটও হুমকির মুখে পড়েছে।

মাওয়া নৌ ফাড়িঁর উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পদ্মার আকস্মিক ভাঙনে মাওয়া লঞ্চঘাট এলাকার ১৬ ফুট এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। এ সময় লঞ্চঘাটের পন্টুনে ওঠার ৩টি সিঁড়ির মধ্যে ২টি সিড়ি স্থানচ্যূত হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের মাওয়া কার্যালয়ের ট্রাফিক কর্মকর্তা মো. সাহাদাত হোসেন বাংলানিউজকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভাঙন শুরু হয়ে তা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে ভাঙন আতঙ্কে ১৫টি দোকান ঘর সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি নির্দেশনা থাকায় সন্ধ্যার পর থেকে নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বুধবার সকালের মধ্যে লঞ্চঘাটের পন্টুন মেরামত করা না হলে যেকোনো সময় মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মাওয়া ঘাট সূত্র জানায়, গত ১০ দিনে মাওয়া পুরাতন ফেরিঘাট এলাকার ৭ হাজার বর্গমিটার এলাকা বিলীন গেছে। এ সময় ১০টি দোকানঘর, ৬টি বসতবাড়ি ও একটি মসজিদ ও মাজার পদ্মার পেটে চলে যায়।

এ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএ’র মাওয়া বন্দর কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন বাংলানিউজকে জানান, ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাচ্ছেন তারা।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর