বিএনপিকে পাকিস্তান গিয়ে জিন্দাবাদ বলার পরার্মশ

sajeda1বিএনপিকে পাকিস্তান গিয়ে জিন্দাবাদ বলার পরার্মশ দিয়েছেন জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জিন্দাবাদকে প্রত্যাখান করা হয়েছে। তাই বিএনপিকে পাকিস্তান গিয়ে জিন্দাবাদ বলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণের পর থেকে আওয়ামী লীগ জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন সংগ্রাম শেষ হয়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাজেদা চৌধরী বলেন, ‘দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুলত্রুটি হলে তাকে তা শোধরে নেওয়ার সুযোগ দিয়ে আবারো নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।’

সাজেদা চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা ও জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ভ্রান্ত ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। খালেদা জিয়াও ভ্রান্ত ইতিহাস সাজিয়ে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’

সংসদের উপনেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। দেশের জাতির পিতা কে এবং জাতির পিতার সঙ্গে কে বা কারা সম্পৃক্ত ছিল এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ও জামায়াত যাতে দেশের নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে না পারে সে জন্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সজাগ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এছাড়া দলাদলি না করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে আওযামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এ কর্মী সভায় সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ডাবলু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফজিলাতুননেছা ইন্দিরা এমপি, উপ দফতর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস প্রমুখ।

এ সময় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম ইদ্রিস আলী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি মমতাজ বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শেখ লুৎফর রহমান প্রমুখ।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর