গজারিয়ায় ভূমি ধসে ঘরবাড়ি বিলীন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনায় ভূমি ধসে বিলীন হয়ে গেছে ৫০ বিঘা এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের মেঘনা পাড়ের লঘুরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে লঘুরচর গ্রামে মেঘনা নদী ঘেঁষা প্রায় ১৫-১৬ জন বাসিন্দার ৫০ বিঘা ফসলি জমি মেঘনা পাড়ে বিলীন হয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী শামেদ মিয়া জানান, তিনিসহ লঘুরচর গ্রামের আলী নুর, নুরুল হক, মজিবুর রহমান, হোসেন আলীসহ অন্তত ১৫-১৬ জন ফসলি জমি হারিয়েছেন। এ সময় গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


গ্রামবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে একটি সিন্ডিকেট মেঘনা পাড়ে লঘুরচর গ্রামের কাছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এই ভূমি ধস হয়েছে।

এদিকে, খবর পেয়ে গজারিয়া থানার পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

গজারিয়া থানার ওসি (প্রশাসন) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মেঘনা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে এ ভূমি ধস হয়েছে।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর
==============

গজারিয়ার ভূমি ধসে ৫০ শতাংশ জমি মেঘনায় বিলীন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ডোবারচর এলাকার ১০টি বাড়িঘরসহ প্রায় ৫০ শতাংশ কৃষি জমি মেঘনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ ভূমি ধসে এসব ঘরবাড়ি ও জমিজমা নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

এ অবস্থায় আরও ভাঙনের আশঙ্কায় ভাঙন কবলিত মানুষ তাদের বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

খবর পেয়ে গজারিয়া থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে কৃষি জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার ফলে হঠাৎ করেই এ ভূমি ধসে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে গ্রামবাসী।

গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী সামেদ মিয়া বাংলানিউজকে জানান, তার জমিসহ ডোবাররচর গ্রামের আলী নুর, নুরুল হক, মজিবুর রহমান, হোসেন আলীসহ প্রায় ১০-১২ জন কৃষকের কৃষি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

গজারিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুল রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাতে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটার ফলে ভাঙন দেখা দিয়েছে গ্রামবাসীর এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি।

তিনি জানান, মেঘনা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে এ ভূমি ধসের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নদীর পাড় এখনও ভাঙছে। আরও ভাঙতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর