শহীদ মিনারে শিল্পীর মরদেহে শ্রদ্ধা মঙ্গলবার

Boayati3সবার শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রয়াত বরেণ্য লোকসঙ্গীত শিল্পী আবদুর রহমান বয়াতীর মরদেহ দেড়ঘণ্টার জন্য মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর শিল্পীর মরদেহ সেখানে রাখার আয়োজন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

এরপর তার মরদেহ শিল্পীর ভাড়া বাসা যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে পরে তাকে তার জন্মস্থান সূত্রাপুরের পঞ্চায়েত কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তবে সোমবার শিল্পীর মরদেহ শাহবাগের বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন শিল্পী আবদুর রহমান বয়াতীর ছেলে মো. আলম।
Boayati3
তিনি বলেন, ‘বাবা ছয়বছর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তারপর থেকে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল বিনা অর্থে চিকিৎসা দিয়েছে। তবে তার চিকিৎসার জন্য প্রতিমাসে কয়েক লাখ টাকা লাগতো। কিন্তু এটা আমাদের সামর্থ্যের একবারেই বাইরে। সে কারণে আমরা অনেক টাকার ঋণী হয়েছি।’

মো. আলম বলেন, ‘জুলাই মাসের ১৮ তারিখে বাবার শরীরে খিঁচুনি ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটালে নিয়ে আইইউসিতে রাখা হয়।

এরপর থেকে কৃত্রিম উপায়ে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চালানো হতো। খাদ্যনালী জমাট বেঁধে যাওয়ায় পাইপ দিয়ে খাবার দেওয়া হতো।’

তিনি বলেন, ‘শনিবার চিকিৎসকরা জানান, বাবার ফুসফুসের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। তারপর রোববার কিছুটা উন্নতি হয়। কিন্তু সোমবার সকালে ফুসফুসের অবস্থা দ্রুত অবনতির দিকে যায় এবং সাড়ে সাতটার দিকে তিনি মারা যান।’

আলম বলেন, ‘আজ সোমবার সকাল সাতটা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসকরা জানান যে, মিনিট বিশেক আগে বাবার লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে।’


তিনি জানান, শিল্পী আবদুর রহমান বয়াতী স্ট্রোক ছাড়াও লো-প্রেসার, ব্রেন হ্যামারেজসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।

উল্লেখ্য, বরেণ্য লোকসঙ্গীত শিল্পী আবদুর রহমান বয়াতীর তিন ছেলে, তিন মেয়ে। ছেলেরা হলেন- মহিউদ্দিন, আলম ও আজিম এবং মেয়েরা শুভতারা, নুরজাহান, রুনা বেগম। শিল্পীর স্ত্রীর নাম খাতুন জারা।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর