ঈদে মুন্সীগঞ্জে মাদকের মজুদ

ঈদকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জে মাদকের মজুদ বেড়ে গেছে। এ দিবসকে পুঁজি করে মাদক সিন্ডিকেটের তৎপরতা বেড়ে গেছে। ঈদের চাঁন রাতে টিনেজ ও মাদক সেবিরা সন্ধ্যার পর মাদক সেবনে বুদ হয়ে উঠে। যারা প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী তারা নানা কারণে পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থেকে যায়।

পুলিশ প্রশাসনের চাপে কখনো কখনো কাউকে কাউকে আটক করা হয়। এটি পুলিশের রুটিন ওর্য়াকের আই ওয়াস কাজ।

পুলিশ প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে মাদক সেবনকারীদের ব্যবসায়ী বানিয়ে গ্রেফতার করছে। মুন্সীগঞ্জ পুলিশের প্রকৃত হালচাল হচ্ছে এটি।

মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ মাসে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ মাদক ব্যবসায়ীদের পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থাকায় মুন্সীগঞ্জের মাদক ব্যবসায়িরা বেপরোয়া হয়ে উঠৈছে।


রাতে পুলিশের হাত থেকে সাধারণ মানুষ কোন নিরাপত্তা পাচ্ছে না। ব্যবসার কাজে কিংবা কোন জরুরী কাজে মানুষ রাতে মুক্তারপুর সেতুর কাছে নামলে পুলিশ তার দেহ কিংবা ব্যাগ তল্লাশির নামে মাদক চালান করে দেয়। পরে টাকা পয়সা দিলে তাকে ছেড়ে দিচ্ছে। আর চাহিদা মতো কোন টাকা দিতে না পারলে তাকে মাদক ব্যবসায়ী বলে থানায় ধরে আনছে। এতে সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়ছে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে লিয়াকত। তার কাছে সকল ধরণের মাদক পাওয়া যায়। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও টাকার বিনিময়ে তাকে পরে মাদক সেবনকারী হিসেবে আদালতে চালান দেয়া হয়।

মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর হচ্ছে মাদকের অন্যতম ব্যবসায়ী স্থান। এখানে মাদকের রমরমা ব্যবসা ফুলে ফেপে উঠেছে। ডিঙ্গাভাঙ্গার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী পাগলা মনির। তার সহযোগী হচ্ছে রকিব। তাদের কাছ থেকে অত্র এলাকার অনেকই মাদক কিনে ব্যবসা করছে। তারা মুন্সীগঞ্জ পুলিশকে মাসোহারা দিচ্ছে। ভট্টাচার্যবাগের মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছেন ইলিয়াস ঢালী। পুলিশের সহযোগিতায় তার নেতৃত্বে এখানে জমজমাট মাদকের ব্যবসা চলছে।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ