মুন্সীগঞ্জে বিএনপির কলঙ্ক যুবদল!

m-bnp-jমোজাম্মেল হোসেন সজল: মুন্সীগঞ্জ বিএনপিকে কাবু করে রেখেছে যুবদল। এক কথায় মুন্সীগঞ্জ বিএনপির কলঙ্ক এখন স্থানীয় যুবদল। জেলার প্রতিটি ইউনিটে কমিটি গঠন নিয়ে যুবদলের কোন্দল বিএনপিতে ভর করেছে।

অবশ্য, জেলার ৬টি উপজেলা, ২টি পৌরসভাসহ ইউনিয়ন কমিটিগুলো গঠনে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের খবরদারিকেই এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে। কেন্দ্র থেকে জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি গঠনের পরদিনই শুরু হয় মারামারি। জেলা যুবদলের সভাপতিকে শহরস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম ও পার্টি অফিস ভাঙচুর করে পদবঞ্চিত বিদ্রোহীরা। এরপর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন কমিটি গঠনেও ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির পার্টি অফিস থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায়ে দাঙ্গা-হামাঙ্গা চলছেই।

এদিকে, দলের মধ্যে পদ দখলেরও প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এক ব্যক্তিই দলের ৪-৫টি গুরুত্বপূর্ণ পদও দখল করে রেখেছেন। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে-বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ দলটিতে পদ বহন করার মতো কোন ব্যক্তি নেই। এ বিষয়ে জেলা বিএনপি বিভিন্ন সময়ে তরিৎ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। জেলা বিএনপির ১৭১ বিশিষ্ট সদস্য কমিটির সিংহভাগই ব্যবসায়ী। ব্যবসায় ব্যস্ত থাকায় জেলা বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি বা আন্দোলনে ওই নেতাদের দেখা মিলছে না। কমিটিতে নেতাদের চাকর-বাকরদেরও স্থান হয়েছে বলে ওই কর্মীদের অভিযোগ। ওদিকে, শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও দলীয় কোন্দল মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ, সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর, মামলা, বহিস্কার ও প্রত্যাহার-ঘটনার মধ্য দিয়ে চলছে জেলা বিএনপির কার্যক্রম। জেলা বিএনপির নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন-সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা এবং জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাই।

মুন্সীগঞ্জের অদৃশ্য রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম শামসুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-প্রকাশনা সম্পাদক শফি বিক্রমপুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জাতীয় পার্টি থেকে আগত সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জ বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেবার। এ গ্রুপে জাতীয় পার্টি থেকে আগত বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনও রয়েছেন। তবে, শ্রীনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ইফতার পার্টিতে তার দেখা মিলেনি।
m-bnp-j
অতি সম্প্রতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরনকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ বিএনপিতে নানা ঘটনা ঘটে। এতে সমালোচিত হয় মুন্সীগঞ্জ বিএনপি। যদিও বিরোধী আন্দোলনের শেষ সময়েও জেলা শহর ও সদর উপজেলার মুক্তারপুর ছাড়া জেলার অন্য কোন উপজেলায় ও পৌরসভায় হরতালসহ কোন কর্মসূচিই পালন করতে পারেননি স্ব-স্ব ইউনিটের বিএনপির শীর্ষ নেতারা। শহরেও নির্ধারিত এলাকার মধ্যে অর্থাৎ থানারপুলস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে শহরের উত্তরাংশের লঞ্চঘাট-পুরাতন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত তাদের মিছিল-সমাবেশগুলো সীমাবদ্ধ থাকে। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত শহরের দক্ষিণাংশে পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে তারা মিছিল-সমাবেশ করতে পারেননি। শহরের দক্ষিণাংশ থেকে মুক্তারপুর ছাড়া জেলার কোন উপজেলায়ও স্থানীয় বিএনপি কোন হরতালে মাঠে নামেননি। ওইসব উপজেলাগুলোওে হরতাল হয়নি।

এদিকে, যুবদল ও ছাত্রদল ছাড়া বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলাও নিস্ক্রিয়। এসব কমিটিগুলো অদক্ষ লোকদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। মাঝে-মধ্যে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল শ্রীনগর ভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। সহযোগী সংগঠনের অধিকাংশ কমিটি কেন্দ্র থেকে হওয়ায় কমিটিগুলো অদক্ষ ও অযোগ্য লোকজনের নেতৃত্বে চলে গেছে বলে স্থানীয় বিএনপি মনে করেন। তবে, এরপরও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থানীয় সরকার ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাই এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপন শক্তহাতে দলকে ধরে রেখেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় এসে গেছে-এমন ধারণা পোষণ করে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই মিছিল-সমাবেশে উপস্থিত থাকলে বিরোধী আন্দোলনগুলোতে কর্মী-সমর্থকদের ঢল নামে। আবার তার অনুপস্থিতিতে মিছিল-সমাবেশে লোকবলের উপস্থিতি চোখে পড়ে না।

অন্যদিকে, ২০১১ সালের ১৬ আগস্ট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হলে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদটি ছেড়ে দেন। এর পর থেকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদটি ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলছে। এছাড়া, জেলা ছাত্রদলের দুই বছর মেয়াদী কমিটির বয়স এখন ৯ বছর। সর্বশেষ ২০০৪ সালে জেলা ছাত্রদলের কমিটি গঠিত হয়।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিভিন্ন উপজেলায় পকেট কমিটি গঠন করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের রাজনীতিতে নিরুৎসাহিত করা, সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা ও জেলা বিএনপি’র অধিকাংশ পদ-পদবীর নেতাদের অনুপস্থিতির কারণে জেলা বিএনপি শহর ছাড়া অন্যান্য উপজেলা-পৌরসভা এলাকায় বিরোধী আন্দোলন সফল করতে পারছে না। এছাড়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-গ্রুপিংয়ের ফলে জেলা বিএনপিকে পাশ কাটিয়ে বিরোধী শিবির এ পর্যন্ত ৬ টি সহযোগী সংগঠন কেন্দ্র থেকে অনুমোদন করে নিয়ে আসে।

জেলা যুবদল, কৃষকদল, জিয়া পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক দল, জাসাস ও মহিলা দল-এই ৬ টি সহযোগী সংগঠন কেন্দ্র থেকে অনুমোদন পায়। জাসাসের কয়েকজন ব্যতিত এসব সংগঠনের কোন নেতাকেও শহর ভিত্তিক কোন আন্দোলনে চোখে পড়ে না।

মাঠ কাঁপানো সাবেক ছাত্র নেতারাও মাঠে নেই। তারাও গুরুত্বপূর্ণ কোন পদ-পদবীতে নেই। এদিকে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস ধীরন শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান ও বক্তব্য রাখেন। দলীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তার যোগদান নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

এ ঘটনায় তাকে জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ নিন্দা ও ধিক্কার জানায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ৩ দিন পর ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১ টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদসহ দলের সকল সদস্য পদ থেকে বহিস্কারের দাবিতে স্থানীয় বিএনপি প্রতিবাদ সভা করেন। সিরাজদিখান বাজারস্থ উপজেলা বিএনপির দলীয় অফিসে এ প্রতিবাদ সভা হয়। এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপিকে ল-ভ- করে দেয়ার অভিযোগে গত বছরের ৩১ জুলাই শহরস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এক জরুরি সভায় সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লাহকে দলীয় সকল পদ থেকে বহিস্কার করে জেলা বিএনপি।

এর আগে একই বছরের ১৭জুলাই জেলা বিএনপি সিরাজদিখান বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকান্ড স্থগিত ঘোষণা করে। ওই বহিস্কার ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড স্থগিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরাজদিখান উপজেলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা এবং বহিস্কৃত সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দু’গ্রুপের মধ্যে সিরাজদিখানে পাল্টা-পাল্টি মিছিল, সমাবেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ ও শোডাউন করা হয়। প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান সিনহার উপর হামলাও চালায়। এ ঘটনায় মিজান সিনহা সমর্থক সিরাজদিখান উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মনির হোসেন বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৬ নেতাকর্মীকে আসামি করে সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করা করেন। এরপর একই বছরের ৫ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আব্দুল্লাহকে লাঞ্চিত করা হয়। তাকে বিএনপি অফিস থেকে টেনে-হেঁচড়ে বাইরে আনার চেষ্টা করা হয়। এরপর কেন্দ্রীয় বিএনপি একই বছরের ২৩ আগস্ট তাদের বহিস্কারকে অবৈধ ঘোষণা করে জেলা বিএনপিকে চিঠি দেয়। কেন্দ্রের এ আদেশে অসন্তুষ্ট হন মিজানুর রহমান সিনহা।

এদিকে, গত ২৩ জুলাই শ্রীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কারো দেখা মিলেনি। সেখানে বিএনপির যুগ্ন-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী প্রধান অতিথি কিছু সময় অংশ গ্রহণ করে বিকেলেই ঢাকা চলে যান। এদিকে,

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে গুলশানের কার্যালয়ে জেলা, ৬টি উপজেলা ও ২ টি পৌর সভা বিএনপির শীর্ষ নেতারা মতবিনিময় সভা করার পর মুন্সীগঞ্জ বিএনপি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা শুরু করেন।

ওদিকে, গত বছরের ১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় যুবদল কেন্দ্র থেকে তারিক কাশেম খান মুকুলকে সভাপতি ও ইকবাল হোসেন সম্রাটকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি করে দেয়। এর একদিন পর ৩ জানুয়ারি জেলা বিএনপি’র দলীয় কার্য়ালয়ে পদ বঞ্চিত দুই সভাপতি সুলতান আহমেদ ও বাবুল মিয়া গং পার্টি অফিসে মুকুলকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। তারা পার্টি অফিসের চেয়ার-টেবিল, টেলিভিশন ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় পাল্টা-পাল্টি মামলা হয় থানায়। এ কমিটি আজো অনুমোদন পায়নি। জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি গঠিত হবার পর বিভিন্ন উপজেলা যুবদলের একটি পক্ষকে বাইরে রেখে পর্যায়ক্রমে যুবদলের কমিটি গঠন করা হয়।

শ্রীনগর উপজেলা যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে গত বছরের ১৬ এপ্রিল ঢাকায় বিএনপির নয়াপল্টনের কার্যালয়ে দু’দফা সংঘর্ষ হয়। কেন্দ্রীয় যুবদল নয়া পল্টনের অফিসে জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে তলব করে নিয়ে যায়। শ্রীনগরেও হয় যুবদলের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। টঙ্গীবাড়ি উপজেলার এক সঙ্গে ১২টি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় লৌহজং উপজেলার কলমা গ্রামে সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার বাসভবনে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার এক সঙ্গে ১২টি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি ঘোষণা দেয়া নিয়ে যুবদলের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।


এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের কমিটি গঠনে টাকার লেনদেন, পকেট কমিটি গঠন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরকে দায়ী করে শোকজ ও দলীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। সিরাজদিখানেও যুবদলের কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সেখানে উপজেলা যুবদলের পাল্টা-পাল্টি দুইটি কমিটি রয়েছে। গত ২৫ জুন টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেতকা ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি গঠন নিয়ে বেতকা বিএনপির দলীয়

কার্যালয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, গুলিবর্ষণ ও দোকান ভাঙ্চুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিবদমান বিএনপির খান বংশের বেতকা ইউনয়নের চেয়ারম্যান মুক্তার হোসেন খান ও সিকদার বংশের বেতকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউসুফ সিকদার গ্রুপ পাল্টা-পাল্টি থানায় ৬টি মামলা করেন। এতো কিছুর পরও জেলা জুড়ে ইফতার পার্টির মাধ্যমে দলকে সু-সংগঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা বিএনপির তিন শীর্ষ নেতা মিজানুর রহমান সিনহা, আবদুল হাই ও আলী আজগর মল্লিক রিপন।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর