মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটে যুক্ত হচ্ছে নতুন ২টি ফেরি

ঈদে নির্বিঘ্নে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে যুক্ত হচ্ছে কলমি লতা ও কনক চাঁপা নামে নতুন দু’টি ফেরি। নতুন কে-টাইপ এই ফেরি দু’টি ঈদের তিন/চারদিন আগে হলেও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে নৌ-মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে এ নৌরুটে ১৫টি ফেরির মধ্যে ১৩টি চলাচল করছে। আর দু’টি ফেরি ডক-ইয়ার্ডে রয়েছে। নতুন এ দু’টি নিয়ে নৌরুটে ফেরির সংখ্যা দাঁড়াবে ১৭ তে।


বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া কার্যালয়ের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক এসএম আশিকুজ্জামান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঈদে বাড়তি মানুষ ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। তাই যাতে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এরই অংশ হিসেবে কলমি লতা ও কনক চাঁপা নামে নতুন দু’টি ফেরি মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে সংযোজন করা হচ্ছে।


উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নৌ-মন্ত্রণালয় সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে খান ব্রাদার্স শিপ ইয়ার্ডে এ দু’টি ফেরি নির্মাণ করেছে। ২৬ জুলাই মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে এ দু’টি ফেরি চালু করার কথা ছিল। এজন্য সব প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান নব-নির্মিত কে-টাইপ ফেরি দু’টি উদ্বোধন করতে পারেননি। তাই তখন ফেরি দু’টি চালু করা সম্ভব হয়নি।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=============

যাত্রী ভোগান্তি কমাতে মাওয়াঘাটে আরো ৩টি ফেরি

দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া ফেরিবহরে যোগ হচ্ছে ২টি নতুনসহ মোট ৩টি ফেরি। ঈদে ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে এ ফেরি ৩টি দেয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।

২৬ জুলাই নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান নতুন এ ফেরি দুটি মাওয়ায় উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু ফেরি দুটির মেরামত কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তবে ঈদের আগেই খান ব্রাদার্স শিপবিল্ডার্স প্রতিষ্ঠানের তৈরি “কনকচাঁপা” ও “কলমীলতা” নামের নতুন দুটি কে টাইপ ফেরি সংযুক্ত হচ্ছে মাওয়া ফেরিবহরে।

এদিকে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বুধবার থেকে মাওয়া নৌরুটের ১৪টি ফেরিবহরে “আমানত শাহ” নামের আরো একটি রো রো ফেরি সংযুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মাওয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপারে বিআইডব্লিউটিসির মোট ফেরির সংখ্যা দাঁড়াবে ১৭টি।

বিআইডব্লিউটিসির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন কে টাইপ ফেরি দুটি তাদের কাছে হস্তান্তর করতে এরই মধ্যে প্রস্তুত রয়েছে নির্মতা প্রতিষ্ঠানটি। যা আগামী দু’একদিনের মধ্যেই বআইডব্লিউটিসির কাছে হস্তাস্তর করবে তারা।

মাওয়া বিআইডব্ল্লিউটিসির ম্যানেজার (বাণিজ্য) সিরাজুল হক জানান, ঈদে ঘরমুখো বিপুলসংখ্যক মানুষ মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে চলাচল করে। তাই ঘরমুখো এসব বিপুলসংখ্যক মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে নতুন দুটি ফেরিসহ “আমানত শাহ” নামের আরো একটি রো রো ফেরি বুধবার থেকে ফেরিবহরে সংযুক্ত হয়েছে।

জাস্ট নিউজ