বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে নতুন মুখ হয়ে আসছেন মুন্সিগঞ্জের হিমু খান

himuআবুল হাসনাত খান হিমু । যিনি সকলের কাছে হিমু খান নামে পরিচিত। জন্ম সত্তুরের দশকে। মুন্সীগঞ্জের গর্বিত সন্তান হিমু খান উদীয়মান সূর্যের মতো, তিনি স্ব-আলোয় আলোকিত করেছেন দেশকে তথা বিশ্বকে।

খুবই অল্প বয়স থেকে রাজনীতির ভাবনা তার মনকে নাড়া দেয়। সর্বদা সে ভাবতেন দেশ, জাতি ও দেশের মানুষদের নিয়ে। যার জন্য খুব অল্প বয়সেই তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী ছাত্রদলে। হিমু খান বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বাংলাদেশী রাজনীতিতে। তার কর্মকাণ্ড, চিন্তাচেতনা এবং তার মেধা তাকে পরিচালিত করে তোলে একজন আলোকিত ছাত্রনেতা হিসেবে। সে সময় তিনি বেশ কিছু হামলা মামলার শিকার হন তৎকালিন সরকারের রোশানলে পড়ে।

পরবর্তীতে হিমু খান উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য ক্যানাডা চলে যান। সেখানে তিনি পলিটিক্যাল সাইন্স ও বিজনেস এডমিনিসট্রেশন এ ডবল মাস্টার্স অর্জন করেন। তিনি দেশ থেকে অনেক দূরে থাকলেও রাজনীতি তাকে দূরে সরে থাকতে দেয়নি। তার দেশ প্রেম তার মেধা তাকে উদ্বুদ্ধ করে মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছু করার। হিমু খান যুক্ত হন ক্যানাডার বিএনপির সাথে। বর্তমানে তিনি বিএনপি ক্যানাডার সাংগঠনিক সম্পাদক। তার ব্যক্তিত্ব, কর্মকাণ্ড ও যোগ্যতা তাকে ক্যানাডা তখা নর্থ আমেরিকায় বাংলাদেশী কমিউনিটিতে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি করে তোলে।


বাংলাদেশে ১/১১এর রাজনৈতিক সংকটে তিনি নর্থ আমেরিকাতে ডেমোনেস্ট্রেশন করেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র পূর্ণঃপ্রতিষ্ঠার দাবীতে। এখনও তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুক্তির দাবিতে। এভাবেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তাকে পৌছে দিয়েছে তারেক রহমানের স্নেহের ছায়াতলে। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধীকার নানা ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে। হিমু খান দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ভালকিছু করার অনুপ্রেরনা থেকেই দেশে ফিরে এসেছেন। ফিরে এসেছেন আপন মানুষদের কাছে। ফিরে এসেছেন মুন্সিগঞ্জের মানুষের কাছে। হিমু খান তরুণ প্রজন্মের অহংকার। মুন্সীগঞ্জের গর্ব। সম্প্রতি তিনি দেশে এসে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে দেখা করেছেন। জাতীয় ইস্যুগুলোতে জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচক হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। হিমু খানের লক্ষ্য আগামী কাউন্সিলে জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান করে নেয়া। তিনি ইতো মধ্যেই মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল ও অংগ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠেছেন। একজন সমাজ সেবক ও সমাজ সংগঠক হিসেবে মুন্সিগঞ্জে ও রয়েছে তার বিশেষ পরিচিতি।


নতুনখববর.কম