হাইকোর্টের নির্দেশে টোল মুক্ত হচ্ছে মাওয়া ঘাট

mawafffরাজীব হোসেন বাবু: হাইকোর্টের নির্দেশে আবারো মাওযা সিবোট ঘাট ফিরে পেলেন বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার ও মেদিলী মন্ডল ইউপি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান। একই সঙ্গে হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত করা হয়েছে জেলা পরিষদের খেয়া ঘাটের ইজরা। ফলে আজ মঙ্গলবার হতে জেলা পরিষদের ইজারাদার লঞ্চ, ট্রলারের যাত্রীর নিকট থেকে আর টোল আদায় করতে পারবেন না। পূর্বে থেকে এখানে বিআইডব্লিউটিএর লঞ্চ ও ট্রলার যাত্রীর টোল ফ্রি ছিল। ফলে লঞ্চ ও ট্রলার যাত্রীকে আপাতত আর টোল দিয়ে নদী পার হতে হবেনা। তবে আজ মঙ্গলবার হতে মাওয়া সিবোট ঘাটের নিয়ন্ত্রন নিবেন বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার আশরাফ হোসেন খান। জানা যায়, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া ঘাটে মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ ও বিআইডব্লিউটিএর দু’টি খেয়া ঘাট রয়েছে একই স্থানে। ফলে একজন যাত্রীকে মাওয়া দিয়ে নদী পার হতে হলে দুটি প্রতিষ্ঠানকে টোল দিয়ে নদী পার হতে হতো। এ নিয়ে যাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ছিল। সরকারী দু’টি মন্ত্রনালয় এ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে মামলায় জড়িয়ে পড়ে। গত বছর বিআইডব্লিউটিএ তাদের লঞ্চ ঘাট টোল মুক্ত করে দিলে দক্ষিনবঙ্গের যাত্রীরা কিছুটা শস্তির নিশ্বাস ফেলে। কিন্তু জেলা পরিষদের ইজারা অব্যাহত থাকায় এ নৌরুটের যাত্রীদের ৩টাকার সরকারী টোল ১০ টাকা দিয়ে নদী পার হতে হতো যাত্রীদের।

গত ৮ জুলাই জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি রিট করে বিআইডব্লিউটির স্পট কোটেশনে ইজারা দেয়া সিবোট ঘাটের স্থগিতাদেশ চাইলে হাইকোর্ট বিআইডব্লিউটিএর সিবোট ঘাটের ইজারা স্থগিতাদেশ দেন। ফলে মাওয়া ঘাটের একক নিয়ন্ত্রণ চলে যায় জেলা পরিষদ ইজারাদারের কাছে। কিন্ত গতকাল সোমবার বিআইডব্লিউটিএ হাইকোটে অপর একটি রিট আবেদন করলে মহামান্য আদালত পূর্বের স্থগিতাদের তুলে নেন।এবং একই সঙ্গে জেলা পরিষদের খেয়া ঘাটের ইজারা বন্ধে আরেকটি স্থগিতাদের দেন।ফলে আজ মঙ্গলবার হতে মাওয়া লঞ্চ ঘাটে কোন টোল আদায়কারী থাকছেনা।লঞ্চ ও ট্রলারের যাত্রীরা কোন প্রকার টোল ছাড়াই নদী পার হতে পারবেন।তবে সিবোট যাত্রীরা বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার আশরাফ হোসেনকে নিয়মিত টোল দিয়ে সিবোটে নদী পার হবেন।
mawafff
তবে গতকাল সন্ধ্যা ৬ টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ অহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাএকার্টের এ ধরণের কোন আদেশ এখনও তার কার্যালয়ে এসে পৌছায়নি।

ইউএনএসবিডি