মাওয়া ফেরিঘাটে অচলাবস্থা

টানা হরতালের কবলে রাজধানী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরো দক্ষিণবঙ্গ। এতে করে মাওয়া বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ একটিও যাত্রীবাহী বাস পারাপার করতে পারেনি। এদিকে, দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার খ্যাত ব্যস্ততম মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়াঘাটে ২ দিন ধরে আটকা পড়ে আছে দেড়-শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক। এছাড়া ফেরিঘাটে অলস পড়ে ছিল নৌযানগুলো।

জামায়াতে ইসলামীর ডাকে লাগাতার দুইদিনের টানা হরতালের দ্বিতীয়দিনে মঙ্গলবার ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কে দূরপাল¬ার সকল যাত্রীবাহী বাস ও অন্যান্য বড় ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে মাওয়া নৌরুটে যাত্রী ও যাবাহনের অভাবে ফেরিসহ অন্যান্য নৌযান চলাচল ছিল একেবারেই বন্ধপ্রায়।


গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মাওয়া বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ একটিও যাত্রীবাহী বাস পারাপার করতে পারেনি। তবে ৩-৪টি ফেরি ফেরিঘাটে আটকে থাকা ৭৩টি মালবাহী ট্রাক আর হরতালের আওতামুক্ত জরুরী সেবায় নিয়োজিত মহাসড়ক দিয়ে আসা ২০টির মতো রোগীদের এ্যাম্বুলেন্স ও ছোটগাড়ি পারপার করেছে।

এদিকে, যানবাহনের অভাবে এতে করে অনেকটা বিপাকে পড়েছে বিআইডব্লিউটিসির ফেরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।


বিআইডব্লিউটিসির ফরি কাউন্টারের স্টাফ মো. জাহিদ ও মো. রফিক জানান, হরতালের কারণে কোন যাত্রীবাহী যানবাহন পাওয়া যায়নি। শুধু ঘাটে আটকে থাকা কিছু মালবাহী ট্রাক ও রোগীদের এ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হয়েছে।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি