বজ্রযোগিনীতে ডাকাতের হামলায় যুবক খুন

আপডেট
মুন্সীগঞ্জে ডাকাতের হামলায় ফয়সাল ভুইয়া (১৮) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন নিহতের বাবা ও মা। গুরুতর আহত মকবুল হোসেনে ওরফে চুন্নু ভুইয়া (৭০) ও তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৬০)-কে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নের সোয়াপাড়াস্থ ধামদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে, ফয়সালকে পূর্ব শক্রতার জের ধরে হত্যা করার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্ত এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় কাউকে আসামি করা হয়নি। সোমবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী টুম্পা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে, নিহত ফয়সাল ভুইয়া বজ্রযোগিনী ইউনিয়ন যুবলীগের ক্রীড়া সম্পাদক বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, এ হত্যা নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার দুই শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা দু’রকম বক্তব্য দিয়েছেন।


মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইয়ারদৌস হাসান জানান, রোববার দিবাগত রাতে ৫-৬ জনের একদল ডাকাত ধামদ গ্রামের চুন্নু ভুইয়ার বসত-বাড়িতে সিধঁ কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় চুন্নু ভুইয়া প্রকৃতির ডাকে বাইরে এলে ডাকাতদের দেখে চিৎকার দিলে ডাকাতরা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ সময় চিৎকারের শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে জেগে ছেলে ফয়সাল ও তার মা রোকেয়া বেগম বাইরে এলে মা রোকেয়া বেগমকে মারধর ও ছেলে ফয়সালকে রড দিয়ে পিটিয়ে ও কাঁচ ঢুকিয়ে দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পরিবারের ৩ সদস্যকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পথে ফয়সাল মারা যায়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (প্রশাসন) মো. শহীদুল ইসলাম বলেছেন, পূর্ব-শক্রতা থেকে এ খুনের ঘটনা ঘটতে পারে। নিহতের ঘরে ডাকাতি করার মতো কিছু নেই। আবার ঘরে সিঁধও কাটা হয়েছিল। তবে, ঘটনার তদন্ত ছাড়া সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না বলেও তিনি জানান।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি