শ্রীনগরে অধ্যক্ষের ওপর হামলা : ছাত্রলীগের দুই নেতা বহিষ্কার

মোজাম্মেল হোসেন সজল: শ্রীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (প্রশাসন) মাহবুবুর রহমান জানান, গত বুধবার রাতে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ শিকদার পনির ও শ্রীনগর কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্যারটসহ অজ্ঞাত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পনির ও জাকিরকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান সুমন জানিয়েছেন। এদিকে অধ্যক্ষকে প্রহার ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় শিক্ষক-রাজনীতিকসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে।

গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে পনির ও জাকির ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে একাদশ শ্রেণীর ভর্তির তদবিরের জন্য শ্রীনগর কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেঁতলে দেয়। পরে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা ও শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চালান। ওইদিন রাতে কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ক্ষোভ-নিন্দা
বৃস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। অপরদিকে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেঁতলে দেয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন নিন্দা জানিয়েছেন।

বিসিএস শিক্ষা এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর মতিউর রহমান গাজ্জালী হামলার শিকার হয়ে আহত অধ্যক্ষের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারকে বহন করার দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা এ ঘটনা কখনোই কামনা করি না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকবে সুন্দর সম্পর্ক। শিক্ষকরা কোনো দলের নয়, তারা রাজনীতির শিকার না হয়-সেদিকে সরকারকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি জানান।


মুন্সীগঞ্জ সরকারি হরগঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী বলেন- একটা কলেজের শিক্ষার্থী দ্বারা অধ্যক্ষকে প্রহৃত-লাঞ্ছিত করার ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয়। আমরা এটা কামনা করি না। এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক, সাংবাদিক এ কে এম মহিউদ্দিন খান মোহন বলেন, আমি এ কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে এ ধরনের ঘটনা কখনো কল্পনা করতে পারি না। আমি এ ঘটনায় মর্মাহত, দুঃখিত ও ব্যথিত। যেসব ছাত্র শিক্ষকের গায়ে হাত দিয়েছে-তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষকে ইঙ্গিত করে বলেন, আমি আশা করি, তিনি অবশ্যই সন্ত্রাসী কর্মকা-কে প্রশ্রয় দেবেন না।

ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বলেন, ছাত্রলীগ শুধু শ্রীনগরে নয় সারাদেশে যা করছে তার প্রতিফলন ৫ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগে পেয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, শ্রীনগর কলেজের প্রতিষ্ঠা থেকে এমন ঘটনা এ-ই প্রথম। আমি উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।

শিক্ষক-কর্মচারী মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর খান বলেন, একজন শিক্ষক হিসাবে আমি এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
বিক্রমপুর সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মুজিব রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, এমন ঘটনার বিচার না হলে কেউ শিক্ষকতা পেশায় আসবেন না।

অগ্রসর বিক্রমপুর শ্রীনগর শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল মালেক ভূঁইয়া বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

শ্রীনগর উপজেলা বিকল্পধারার সাধারণ সম্পাদক লক্ষণ মন্ডল বলেন, একজন শিক্ষকের গায়ে হাত দেয়া গর্হিত কাজ। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

জাস্ট নিউজ

================

শ্রীনগর কলেজের অধ্যক্ষের উপর হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা

বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দা
আরিফ হোসেন: সরকারী শ্রীনগর কলেজের অধ্যক্ষের উপর হামলার ও মাথা থেতলানোর ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানান, গত বুধবার রাতে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ শিকদার পনির ও শ্রীনগর কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্যারট সহ অজ্ঞাত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এঘটনায় পনির ও জাকিরকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে বলে জানান

গত বুধবার বেলা এগারটার দিকে পনির ও জাকির ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে একাদশ শ্রেনীর ভর্তির তদবীরের জন্য অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ঢুকে ভাংচুর চালায় ও অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেতলে দেয়। পরে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা ও শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চালান। ঐদিন রাতে কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বৃস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অপরদিকে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেতলে দেওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন নিন্দা জানিয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্রলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি নেক্কার জন্ক ঘটনা। তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবী করেন। ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি ও সেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সরাফত আলী সপু বলেন, ছাত্রলীগ শুধু শ্রীনগরে নয় সারা দেশে যা করছে তার প্রতিফলন ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগে পেয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারী মহাজোট কেন্দ্রিয় কমিটির মহাসচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর খান বলেন একজন শিক্ষক হিসাবে আমি এর উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি। বিক্রমপুর সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মুজিব রহমান জানান, এমন ঘটনার বিচার না হলে কেউ শিক্ষকতা পেশায় আসবেনা। অগ্রসর বিক্রমপুর শ্রীনগর শাখার সভাপতি ডা ঃ আঃ মালেক ভূইয়া জানান, আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, শ্রীনগর কলেজের প্রতিষ্ঠা থেকে এমন ঘটনা এই প্রথম। আমি উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবী করছি। শ্রীনগর উপজেলা বিকল্পধারার সাধারণ সম্পাদক লক্ষন মন্ডল জানান, একজন শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া গর্হিত কাজ। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানান।

====================

অধ্যক্ষকে মারধর: শ্রীনগরে ছাত্রলীগের দু’নেতার বিরুদ্ধে মামলা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত ও মারধর করার ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগ ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

বুধবার রাত ৯টার দিকে অধ্যক্ষ বিদ্যুত কুমার সাহা বাদী শ্রীনগর থানায় এ মামলা রুজু করেন।

এতে সরকারি কাজে বাধা ও দায়িত্বরত অবস্থায় অধ্যক্ষকে মারধর করার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন-শ্রীনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ শিকদার পনির ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পেরট।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহবুবুর রহমান মামলা রুজুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, ছাত্রলীগের এ দুই নেতাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ, ডিবি ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালাচ্ছে।

তবে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর থেকেই ছাত্রলীগের এ দুই নেতা পলাতক রয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বুধবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রছাত্রী ভর্তি বিষয়ে শ্রীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যুত কুমার সাহার কক্ষে গিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারে বসেন।

এতে অধ্যক্ষ শিক্ষকদের চেয়ার ছেড়ে পেছনের চেয়ারে বসতে বললে তারা দুর্ব্যবহার করে বেরিয়ে যায়। পরে আরও নেতাকর্মী নিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে তাকে লাঞ্ছিত ও মারধর করে। এতে অধ্যক্ষ বিদ্যুত কুমার সাহা রক্তাক্ত জখম হয়।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
=================


কলেজের অধ্যক্ষের উপর হামলার ঘটনায় শ্রীনগর ছাত্রলীগের দুই নেতা বহিস্কার

সরকারী শ্রীনগর কলেজের অধ্যক্ষের উপর হামলার ও মাথা থেতলানোর ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (প্রশাসন) মাহবুবুর রহমান জানান, গত বুধবার রাতে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ শিকদার পনির ও শ্রীনগর কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্যারটসহ অজ্ঞাত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এঘটনায় পনির ও জাকিরকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে বলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান সুমন জানিয়েছেন। এদিকে, অধ্যক্ষকে প্রহ্নত ও লাঞ্চিত করারয় ঘটনায় শিক্ষক-রাজনীতিকসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় বইছে। গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে পনির ও জাকির ছাত্রলীগ কর্মীদের নিয়ে একাদশ শ্রেণীর ভর্তির তদবীরের জন্য অধ্যক্ষের কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেতলে দেয়। পরে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা ও শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চালান। ওইদিন রাতে কলেজের অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহা বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ক্ষোভ-নিন্দা : বৃস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অপরদিকে অধ্যক্ষ বিদ্যুৎ কুমার সাহার মাথা থেতলে দেওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন নিন্দা জানিয়েছেন।

বিসিএস শিক্ষা এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর মতিউর রহমান গাজ্জালী হামলার শিকার হয়ে আহত অধ্যক্ষ’র চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমরা এ ঘটনা কখনোই কামনা করি না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকবে সুন্দর সম্পর্ক। শিক্ষকরা কোন দলের নয়, তারা রাজনীতির শিকার না হয়-সেদিকে সরকারকে লক্ষ্য রাখতে হবে বলে তিনি জানান।

মুন্সীগঞ্জ সরকারি হরগঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুখেন চন্দ্র ব্যানার্জী বলেন-একটা কলেজের শিক্ষার্থী দ্বারা অধ্যক্ষকে প্রহ্নত-লাঞ্চিত করার ঘটনা অবশ্যই আমরা কামনা করি না। এটা-অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন। ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি ও সেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বলেন, ছাত্রলীগ শুধু শ্রীনগরে নয় সারা দেশে যা করছে তার প্রতিফলন ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগে পেয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক, সাংবাদিক এ কে এম মহিউদ্দিন খান মোহন বলেন, আমি এ কলেজের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে এ ধরনের ঘটনা কখনো কল্পনা করতে পারিনা। আমি এ ঘটনায় মর্মাহত, দু:খিত ও ব্যথিত। যেসব ছাত্র শিক্ষকদের গায়ে হাত দিয়েছে-তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুকুসার রঞ্জন ঘোষকে ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি অবশ্যই সন্ত্রাসী কর্মকা-কে প্রশ্রয় দেবেন না।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, শ্রীনগর কলেজের প্রতিষ্ঠা থেকে এমন ঘটনা এই প্রথম। আমি উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।

শিক্ষক-কর্মচারী মহাজোট কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর খান বলেন, একজন শিক্ষক হিসাবে আমি এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
বিক্রমপুর সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি মুজিব রহমান জানান, এমন ঘটনার বিচার না হলে কেউ শিক্ষকতা পেশায় আসবেনা।
অগ্রসর বিক্রমপুর শ্রীনগর শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল মালেক ভূইয়া জানান, আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

শ্রীনগর উপজেলা বিকল্পধারার সাধারণ সম্পাদক লক্ষন মন্ডল জানান, একজন শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া গর্হিত কাজ। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানান।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি