শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা

মুন্সীগঞ্জের পঞ্চসারে এক প্রতিবন্ধি পরিবারের কণ্যা শিশু (৬)-কে ধর্ষণের পর তা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে। শহর উপকণ্ঠের পঞ্চসার ইউনিয়নের ডিঙ্গাভাঙ্গা গ্রামের আজগর মিয়ার কলোনীতে এ ঘটনা ঘটে। ৫নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বারের ভাগ্নে কালাই শিশুকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের দায়ে ৫হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ধর্ষক কালাই কেটে পড়েছে।


জানা গেছে, সদর উপজেলার পঞ্চসারের ডিঙ্গাভাঙ্গা গ্রামে আজগর মিয়ার কলোনীতে এক প্রতিবন্ধি মা-বাবা ভিক্ষা-বৃত্তি করতে দূর-দুরান্তে চলে যায়। একদিন বাড়ি থেকে বের হলে তারা ৩-৪দিন পর বাড়ি ফিরেন। প্রতিবন্ধি বাবা-মা’র একমাত্র আয়ের ভরসা রিকশা চালক ছেলে (১৫)। পেটের দায়ে বুধবার সকালে রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পড়ার সুযোগে এলাকার প্রাক্তন মেম্বার হাতেমের ভাগ্নে ও আব্দুল খালেকের পুত্র কালাই ধর্ষণ করে হত-দরিদ্র ওই কন্যাশিশুটিকে।

ঘটনার সময় শিশুটি চিৎকার করলে কলোনীর অন্য বাসিন্দারা ছুটে আসলে হাতে-নাতে ধরাখায় ধর্ষক কালাই। ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠে কালাই’র আত্মীয় ওসমান, সেন্টু ও রাসেল পোদ্দার। থানা পুলিশকে না জানিয়ে তারা কলোনীর মালিক আজগর ও স্থানীয় মেম্বার আব্দুল আজিজকে ডেকে নিয়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও দু’চারটা চড়-থাপ্পর দিয়ে কালাইকে ছাড়িয়ে নেন।


এ ঘটনায় বুধবার রাতে ওই মেম্বার জানায়, কলোনীর মহিলাদের মাধ্যমে শিশুটির জবানবন্দী ও দৈহিক যাচাই-বাছাই করে জানতে পারি যে শিশুটি ধর্ষিত হয়নি। তবে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাই কলোনীর মালিক আজগর মুক্তারপুর ফাড়ি পুলিশ ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমানের সাথে ফোনে আলাপ সাপেক্ষে আপোস-মিমাংসার ব্যবস্থা করেন। আপোস-মিমাংসার সময় ধর্ষিতার মা-বাবা কেউই উপস্থিত ছিলেন না।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি