মাওয়ায় প্রকাশ্যে পুলিশের চাঁদাবাজি!

mawachandaঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের মাওয়ায় পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে মাওয়া ফাঁড়িসহ ট্রাফিক পুলিশ। তাদের দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দিলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে যানবাহন আটকে রাখে তারা।

তাই বাধ্য হয়েই ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত চাঁদা দিয়েই এ মহাসড়কে যানবাহন চালিয়ে যাচ্ছে।


বুধবার মাওয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের মাওয়া প্রান্তে মহাসড়কে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহনের চাপ তুলনামূলক বেশি, এসময় মাওয়া চৌরাস্তায় পুলিশের এক কনস্টেবলকে দেখা গেল সিরিয়াল আগে দেওয়ার কথা বলে এক ট্রাক শ্রমিকের কাছ থেকে প্রকাশ্যে টাকা নিচ্ছেন। এ দৃশ্য এখানে হরহামেশাই ঘটে থাকে।


মাওয়া চৌরাস্তার এক চা দোকানদার বলেন, ‘‘প্রতিদিনই শত শত ট্রাক থেকে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা করে আদায় করছে মাওয়া ফাঁড়ি ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাক ও যানবাহনের চালক ও হেলপাররা পুলিশের চাহিদা মতো চাঁদা দিলে গাড়ি পেছনে থাকলেও ফেরিতে ওঠার জন্য তাদের সিরিয়াল আগে দেওয়া হয়। এছাড়া বাস, প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহনকেও সিরিয়াল আগে পেতে চাঁদা দিতে হচ্ছে।
mawachanda
একাধিক ট্রাক চালক ও হেলপার জানান, পুলিশকে চাঁদা দেওয়ার এ চিত্র নতুন নয়। তাদের চাহিদা মতো টাকা না দিলে নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা নিয়মিত পুলিশকে টাকা দিয়েই এ রুট দিয়ে চলাচল করছে।

এ প্রসঙ্গে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিভিন্ন যানবাহন থেকে টাকা আদায় করার ঘটনায় মাওয়া ফাঁড়ির পুলিশ জড়িত নয়। মাওয়া চৌরাস্তায় কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা এ টাকা আদায় করে থাকতে পারে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর