টঙ্গীবাড়ীতে রাস্তার পাশের গাছ কাটার হিড়িক

tongibaritreeমুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার পাশের সরকারী গাছ কাটার হিড়িক পড়েছে। সম্প্রতি শুধুমাত্র টঙ্গীবাড়ী-হাসাইল সড়কের ২০-২৫ টি বৃ কর্তন করা হয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য প্রায় ৩-৪ ল টাকা। সরোজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উক্ত রাস্তার রংমেহার, ম্টুুকপুর, স্বিদ্ধেশ্বরী এলাকায় সদ্য কাটা প্রায় ২০-২৫ টি গাছের গোড়া রয়েছে এবং আরো প্রায় ৫০ টি গাছের শুকানো গোড়া রয়েছে।


যে সমস্ত গাছগুলো কিছুদিন আগে কর্তন করা হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলার টঙ্গীবাড়ী-কামাড়খাড়া, সিদ্ধেশরী-কাঠাদিয়া, টঙ্গীবাড়ী-বেতকা রাস্তায়ও অসংখ্য গাছ কর্তন করা হয়েছে। টঙ্গীবাড়ী-বালিগাওঁ রাস্তার পাশের গাছ কাটা এখোনো অব্যাহত রয়েছে। গত দু-দিনে এ রাস্তার সোনারং ব্রাক অফিসের সামনে হতে এবং অন্যান্য স্থাণ হতে একাধিক গাছ কর্তন করা হয়েছে।

এর আগে এ রাস্তার দৌড়াবর্তী নামক স্থান হতে কয়েকশত গাছ কর্তন করা হলে এ ব্যাপারে একাধিক পত্রিকায় রির্পোট আসলেও প্রসাশন তার কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ায় অন্যরা গাছ কাটায় উৎসাহী হচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানান। উক্ত গাছ কাটা চক্রের সাথে নামধারী এক সাংবাদিকের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া অহরহ প্রশাসনের নাকের ডগায় গাছ কাটার ঘটনা ঘটলেও তারা রহস্যজনক কারনে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে এক শ্রেণীর লোক সংগঠনের কথা বলে নিজারাই এই সমস্ত গাছ বিক্রি করে টাকা আতসাৎ করছে।


নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, সাধারনত শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে এ সমস্ত বড় বড় বৃগুলো কর্তন করা হচ্ছে। আর শুক্র ও শনিবারে গাছ কাটার জন্য প্রশাসনের কর্মরত ব্যাক্তিরাই এ সমস্ত সংগঠনের নামধারী ব্যাক্তিদের পরামর্শ দিচ্ছে বলে জানাগেছে। এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন পারভীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, গাছ কাটার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। যদি কেউ সরকারী গাছ কেটে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাপোষ্ট২৪