লৌহজংয়ে হত্যার পরিকল্পনাকারী হলেন বাদী

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বাসুদিয়া গ্রামে পরকিয়ার বলী বাদশা পাঠান হত্যা মামলার বাদী হলেন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী তার স্ত্রী নাজমা বেগম। এ ঘটনায় নিহত বাদশার পরিবার ও এলাকার লোকজনের মনে তীব্র ক্ষোব বিরাজ করছে।

নিহতের ভাই হারুন পাঠান সাংবাদিকদের জানান আমার বড় ভাইয়ের ছেলে মোঃ শরিফ পাঠান ও নাজমা বেগম এর সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ পরকিয়া প্রেম চলছে। এ বিষয়টি আমার ভাই জানতে পেরে সে বিদেশ থেকে দেশে চলে আসে আসার পর সংসারে প্রায়ই ঝগড়া হতো এবং তার সাথে খুব খারাপ আচারন করত। ভাই খুন হওয়ার পর আমরা শোকাতুর ছিলাম ও ভাইকে দাফনের কাজে ব্যাস্ত থাকায় আমার ভাইএর স্ত্রী নাজমা বেগম ও তার পরিবার সু কৌসলে মামলার বাদী হয়ে অপরাধ ঢাকার চেষ্টা করেছেন।


এ বিষয়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে পুলিশ আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে কোর্টে মামলা দেওয়ার জন্য বলেন।

এ ব্যাপারে লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকিরুল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায় এ পর্যন্ত উক্ত মামলার দুই জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতরে চেষ্টা চলছে, তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন কারো নাম পাওয়া গেলে তাকে আসামী করা হবে। নিহতের ছেলে তন্ময় (১৪) জানায় আমার চোখের সামনে আমার বাবাকে ওরা ৪/৫ জন ধরে রাখে আর আমার চাচাত ভাই শরিফ ছুরি দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে থাকে। এসময় আমি ছাড়াতে গেলে শরিফ আমাকেও ছুরি দিয়ে কোপদেয়। আমার বাবা সে কোপ হাতদিয়ে ফিরায়। আমি সাক্ষি দিলে আমকে ও বাবার মত খুন করবে বলে শুক্রবার রাতে আমাদের বারীর মোবাইলে ফোন করে হুমকি দেয় শরিফ। উলেখ্য স্ত্রীর পরকিয়া ভাতিজার হাতে ছুরিকাঘাত হয়ে গুরুত আহত প্রবাসী বাদশা পাঠান গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি ক্লিনিকে মারা যায়।


এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে লৌহজং থানায় মামলা দায়ের করেন।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ