মাওয়ায় সি-বোট ও লঞ্চঘাটের টোল আদায়ের নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগে ২ নেতা!

বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা পরিষদের অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্বের জের ধরে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের খেয়াঘাটের মাওয়া অংশের সি-বোট ও লঞ্চঘাটের টোল আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ২ শীর্ষ নেতা। সোমবার ব্যাপক উত্তেজনা ও পুলিশ মোতায়ের মধ্য দিয়ে খেয়াঘাটের নিযন্ত্রণ নিয়ে নেয়।


দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশ পথ মাওয়া খেয়াঘাটে সি-বোট যাত্রীদের টোল আদায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ’র নিযুক্ত ইজারাদার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মেদেনীমন্ডল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন খান ও লঞ্চঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন একই ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি হামিদুল ইসলাম। এতে সোমবার ভোর থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত মাওয়াঘাটে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দু’গ্রুপের শত শত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা গেছে। লৌহজং থানার ওসি জাকিউর রহমান ও মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উভয়ঘাটে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

তবে সরকার দলের ওই ২ গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘাত বা কোন গন্ডগোল হয়নি। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এছাড়া, একই সময়ে মাওয়া অংশে সি-বোট যাত্রী পারাপারে টোল আদায় শুরু করেছেন বিআইডব্লিউটিএ’র নিযুক্ত ইজারাদার আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ খান। তার লোকজন সোমবার ভোর থেকে যাত্রী প্রতি ১’শ ৩০ টাকা করে আদায় করেছেন। এরমধ্যে যাত্রী প্রতি সি-বোট মালিক পাবে ১’শ ২০টাকা। আর প্রবেশ মুল্য বাবদ যাত্রী প্রতি বাকী ১০ টাকা টোল আদায় করবেন বিআইডব্লিউটিএ’র নিযুক্ত ইজারাদার।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি