শ্রীনগরে ধর্ষিত মাদ্রাসা ছাত্রীর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাঘড়ার আলামিন আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৪) সন্ত্রাসীরা ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার পুলিশ মামলা নেয়নি। বাঘড়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী সাদ্দাম বাহিনীর প্রধান সাদ্দাম (৩৭) ও তার সহযোগী কাওসার (২২) গত শবেবরাতের রাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পরের দিন সকালে লজ্জায় ঘৃনায় ধর্ষিতা মেয়েটি বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় বলে জানিয়েছেন তার মা। পরে ওই ছাত্রীকে দোহার উপজেলার জয়পাড়া এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এতে সাদ্দাম ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলবল নিয়ে ওই মেয়ের বাড়িতে এসে মেয়ের দিনমজুর ভাই ও বাবাকে নানা রকম হুমকি প্রদান করে। পরে গত বৃহস্পতিবার ধর্ষিতার মা শ্রীনগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই হায়দারের নিকট ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তুু এসআই হায়দার সাদ্দামের ভাই রাসেলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে শুক্রবার সকালে ধর্ষিতা ও তার মাকে থানায় ডেকে এনে ধর্ষণের ঘটনা বাদ দিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার কথা উল্লেখ করে পুনরায় আরেকটি অভিযোগ নেন। অপর একটি সূত্র জানায়, সাদ্দাম বাঘড়া এলাকার ত্রাস আহাম্মদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন থানায় ও আদালতে ১৪টি মামলা রয়েছে। তার সাথে এসআই হায়দারের গভীর সক্ষতার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান, মেয়ের মা বিষয়টি তাকে মৌখিক ভাবে জানালে এর দায়িত্ব তিনি এসআই হায়দারকে দেন। তবে প্রকৃত ঘটনার তদন্ত চলছে। কিন্তু গত শনিবার রাতে এসআই হায়দার জানান, অফিসার ইনচার্জ তাকে এ জাতীয় কোন দায়িত্ব দেননি। তিনি ঐ ছাত্রীর মায়ের কাছ থেকে কোন রকম অভিযোগ গ্রহনের বিষয়টি অস্বিকার করেন।


শ্রীনগর সার্কেলের এএসপি মিয়া মো. কুতুবুর রহমান জানান, অফিসার ইনচার্জ তাকে বিষয়টি পুরোপুরি জানাননি। ঘটনা জানার পর তিনি তাৎক্ষনিক ভাবে আসামীকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নিদের্শ দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে যারা গাফলতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে পবিত্র শবে বরাতের রাতে শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের বুইচাপাড়া গ্রামের দিনমজুরের ১৪ বছরের মেয়ে ও স্থানীয় আলামিন আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে সাদ্দাম ও তার সহযোগী কাওসার তাদের বসত ঘরের ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। সকালে ঘটনাটি লোকমুখে জানাজানি হলে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জয়পাড়া এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এতে সাদ্দাম ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলবল নিয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে নানা রকম ভয়ভীতি প্রদান করে। সাদ্দাম বাহিনীর ভয়ে ধর্ষিতার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এলাকাবাসীও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা। অপর একটি সূত্র জানায় ঘটনাটি অপর ধর্ষক কাওসারে একার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কাওসারের বাবা আবু মিয়া জানান ঘটনার পরদিন বিচারের কথা বলে তার ছেলেকে এলাকার প্রভাবশালী মামুন আটকে রাখে। পরে তাকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি
================

শ্রীনগরে ধর্ষনের অপমান সইতে না পেরে মাদ্রাসা ছাত্রীর বিষপানে আতœহত্যার চেষ্টা ঃ মামলা নিতে পুলিশের গড়িমশি

আরিফ হোসেন: শ্রীনগরের বাঘরা আলামিন আলিম মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে (১৪) সন্ত্রাসীরা ধর্ষন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাঘরার কুক্ষ্যাত সন্ত্রাসি সাদ্দাম বাহিনীর প্রধান সাদ্দাম (৩৭) ও তার সহযোগী কাওসার (২২) গত শবেবরাতের রাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পরের দিন সকালে লজ্জায় ঘৃনায় ধর্ষিতা মেয়েটি বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় বলে জানিয়েছেন তার মা। পরে ঐ ছাত্রীকে দোহার উপজেলার জয়পাড়া এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এতে সাদ্দাম ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলবল নিয়ে ঐ মেয়ের বাড়িতে এসে মেয়ের দিনমজুর ভাই ও বাবাকে নানা রকম হুমকি প্রদান করে। পরে গত বৃহস্পতিবার দিন ঐ ছাত্রীর মা শ্রীনগর থানার ডিউটি অফিসার এসআই হায়দারের নিকট ধর্ষনের ঘটনা উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তুু এসআই হায়দার সাদ্দামের ভাই রাসেলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে শুক্রবার সকালে ঐ ছাত্রী ও তার মাকে থানায় ডেকে এনে ধর্ষনের ঘটনা বাদ দিয়ে ধর্ষন চেষ্টার কথা উল্লেখ করে পুনরায় আরেকটি অভিযোগ নেন। অপর একটি সূত্র জানায় সাদ্দাম বাঘরা এলাকার ত্রাস আহামদ এর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই,চাদাবাজি ও ডাকাতি সহ বিভিন্ন থানায় ও আদালতে ১৪টি মামলা রয়েছে। তার সাথে এসআই হায়দারের গভির সক্ষতার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।


এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান জানান, মেয়ের মা বিষয়টি তাকে মৌখিক ভাবে জানালে এর দায়িত্ব তিনি এসআই হায়দারকে দেন। তবে প্রকৃত ঘটনার তদন্ত চলছে। কিন্তু গত শনিবার রাতে এসআই হায়দার জানান, অফিসার ইনচার্জ তাকে এ জাতীয় কোন দায়িত্ব দেননি। তিনি ঐ ছাত্রীর মায়ের কাছ থেকে কোন রকম অভিযোগ গ্রহনের বিষয়টি অস্বিকার করেন।

শ্রীনগর সার্কেলের এএসপি মিয়া মো ঃ কুতুবুর রহমান শনিবার দুপুরে জানান, অফিসার ইনচার্জ তাকে বিষয়টি পুরোপুরি জানাননি। ঘটনা জানার পর তিনি তাৎক্ষনিক ভাবে আসামীকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নিদের্শ দিয়ে বলেন এ বিষয়ে যারা গাফলতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে পবিত্র শবে বরাতের রাতে শ্রীনগর উপজেলার বাঘরা ইউনিয়নের বুইচাপাড়া গ্রামের দিনমজুরের ১৪ বছরের মেয়ে ও স্থানীয় আলামিন আলিম মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনীর ছাত্রীকে সাদ্দাম ও তার সহযোগী কাওসার তাদের বসত ঘরের ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জোর পূর্বক ধর্ষন করে । সকালে ঘটনাটি লোকমুখে জানাজানি হলে মেয়েটি আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য জয়পাড়া এলাকার একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। এতে ছাদ্দাম ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলবল নিয়ে ঐ বাড়িতে গিয়ে নানা রকম ভয়ভিতি প্রদান করে। সাদ্দাম বাহিনীর ভয়ে ধর্ষিতার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এলাকাবাসীও মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা। অপর একটি সূত্র জানায় ঘটনাটি অপর ধর্ষক কাওসারে একার উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কাওসারের বাবা আবু মিয়া জানান ঘটনার পরদিন বিচারের কথা বলে তার ছেলেকে এলাকার প্রভাবশালী মামুন আটকে রাখে। পরে তাকে বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।