টঙ্গীবাড়ীতে ভুতুর বিকল্প কোন নেতা তৈরী হয়নি

Jaglul_Haldar_Bhutuমুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কাউন্সিলর নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। এতে জেলা পর্যায়ের অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন জাতয়ি সংসদের হুইপ সাগফতা ইয়াসমিন এমেলী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-মোঃ মহিউদ্দিন আহমেদ, জেলার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ শেখ লুৎফর রহমান, মহাবুব উদ্দিন বীর বিক্রমসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সম্পূর্ণ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ ভাবে ভোটদান শেষ হয়। ২৬৪ ভোটের মধ্যে ১৮৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন জগলুল হালদার ভুতু। আর এখানেই সস্যার বেড়াঁজাল তৈরী হয়। পরাজিত প্রার্থীরা ষড়যন্ত্রের নীলনকশা শুরু করেন। অভিযোগ দায়ের করেন ভুতু হালদারের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তি হলো আঃ জলিল শিকদার নাকি জাকের পার্টি করেন। ১৫ জন কো-অক্টেড সদস্যের মধ্যে ভুতু হালদার পাঁচ জনের নাম দেন। সেই পাঁচ জনের একজন হলো-আঃ জলিল শিকদার। তিনি জেলা আওয়ামলীগের সাধারন সম্পাদক স্বাক্ষরিত সদস্য পদ পেয়েই আওয়ামীলীগের টঙ্গীবাড়ী উপজেলা কাউন্সিলর নির্বাচনে ভুতু হালদারের প্রস্তাবনা করেন। সেখানেই মূলত পরাজিত প্রার্থী বিতর্ক তৈরী করার চেষ্টা চালায়। তাকে জাকের পার্টি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এ বিষয়টি নিয়ে পুরো টঙ্গীবাড়ী আলোচিত হয়। তাকে স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে জাহির করতেও পরাজিতরা কম চেষ্টা করেননি। কিন্তু একটি দলেল ভেতর যিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্ভাচিত হয়েছেন তাকে নিযে এহেন অপপ্রচার দলের জন্য কতোটা বিপর্যয় ডেকে আনবে তা একবার ভেবে দেখা দরকার। মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি’র ঘাটি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। সেখানে আওয়ামীলীগ বর্তমানে যে অবস্থা বিরাজ করছে দলের ভেতর কোন্দল থাকলে দলের জন্য ভয়াবহ পরিনতি ডেকে আনবে। মূলত জেলা পর্যায়ের একজন নেতা তার পছন্দের প্রার্থী কাউন্সিলর নির্বাচনে বড় ধরনের ব্যবধানে পরাজিত হয়ার কারনে তার পেস্টিজ ইস্যূ হয়ে দেখা দিয়েছে। আর সে কারনেই টঙ্গীবাড়ীতে আওয়ামীলীগের ভেতর জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি প্রত্যক্ষ ভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে পরাজিত প্রার্থীর পক্ষ অবস্থান দলের ভেতর বিভাজন তৈরী করছে। ভুতু হালদার দলের জন্য টঙ্গীবাড়ীতে একজন কান্ডারী স্বরূপ। দলের জন্য তার অবদান অনস্বীকার্য। দলকে চাঙ্গা করার পেছনে বড় ধরনের ভুমিকা রেখেছেন ভুতু হালদার। টঙ্গীবাড়ীতে এখন পর্যন্ত তার বিকল্প কোন নেতা তৈরী হয়নি। তৃনমূল পর্যায়ে ভুতুর জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া। বিশেষ করে জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী টঙ্গীবাড়ীতে আসলে তিনি ভুতুর ওপর অনেক দায়িত্ব অর্পণ করেন। এটাই অনেক নেতার পছন্দ নয়। এমেলীর কাছের লোক হওয়াতে জেলার অনেক নেতা এলাকায় একটু সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। তারাই সুবিধা ভোগ করতে না পেরে এখন ভুতু বিরোধীতা করছে। পরাজিত প্রার্থীরা দীর্ঘদিন ভুতুর নেতৃত্ব মেনে নিতে পারলে এখন কেন তাদের সমস্যা হচ্ছে? এ প্রশ্নই এখন তৃনমূল নেতাদের মধ্যে ঘোরপাক খাচ্ছে।

টঙ্গীবাড়ীর বিষয়টি সঠিক অবস্থান জানতে মুন্সীগঞ্জ বাণীর পক্ষ থেকে জেলা এবং টঙ্গীবাড়ী উপজেলার তৃনমূল পর্যায়ের নেতাদের মতামত নেয়া হয়েছে। তারা ভুতুর ব্যাপারে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছেন। কেউ কেউ মতামত দিতে অস্বীকার করেছেন। যারা মতামত দিয়েছেন,তাদের মতামত থেকে একটি চিত্র স্পষ্ট হয়েছে-তা হলো পরাজিতরাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভুতুর ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বিপুল ভোটের ব্যাবধানে সভাপতি হয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক দলের গঠনতন্ত্র অনুসারে প্রকাশ্যে কাউন্সিলরের মাধ্যমে তিনি জয়ী হয়েছেন। তার বিরোধীতা করা দলের জন্য আত্মঘাত মূলক হবে।

অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

টঙ্গীবাড়ী বিষয়ে আলহাজ্ব শেখ লুৎফর রহমান এক সাক্ষাতকার দেন। তিনি বলেন, টঙ্গীবাড়ীর নির্বাচিত ভুতু হালদারের বিষয়ে পরাজিত প্রার্থীরা অভিযোগ দায়ের করেছেন। সে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার প্রস্তাবক হিসেবে জাকের পার্টির একজনের নাম এসেছে বলে তিনি জানান। কেন তাহলে কাউন্সিলরের আগে এ বিষয় গুলো উত্থাপন করা হয়নি? এ প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেনি। তবে তিনি বলেন, আগে লিীখত আকারে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি বলে আমরা বিষয়টিতে অবগত নই। জাকের পার্টির কেউ কি আওয়ামীলীগে আসতে পারে না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসতে পারে তবে তার আবেদন জেলার সাধারন সম্পাদক বরাবর আসতে হবে। সেখানে অনুমোদন পাওয়ার পরই শুধু তিনি বৈধ হবেন। টঙ্গীবাড়ীতে দলীয় কোন্দল কি দলের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াবে না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষয়টি যাচাই-বাচাই করে দেখা হচ্ছে । অতি দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

আলহাজ্ব শেখ লুৎফর রহমান
সাধারণ সম্পাদক
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ।

টঙ্গীবাড়ীতে নির্বাচিত কমিটির অনুমোদন দিতে কারো দ্বিমত পোষন করার সুযোগ নেই

টঙ্গীবাড়ীতে আওয়ামীলীগের কোন্দল,অনৈক্য এবং সিনিয়র নেতাদের সাথে তৃনমূল পর্যায়ের নেতাদের দূরত্ব আগামী নির্বাচনে এ প্রতিফলন ঘটবে। দীর্ঘ দিন পরে হলেও বহু কষ্টের বিনিময়ে আমরা তিনটি আসন অর্জত করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু দলের মধ্যে কোন্দল বিরাজ করলে তা ধরে রাখা দূরূহ হবে। দুর্দিনে যারা দলের জন্য কান্ডারী হিসেবে এগিয়ে এসেছে এবং আন্দোলন,মিছিল,মিটিং করে দলকে চাঙা করেছিল তাদের এখন অবজ্ঞা এবং নেতৃত্ব শূন্য করার অপপ্রয়াস বন্ধ করা জরুরী। দলের ভেতর এক শ্রেনীর স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি দলের জন্য কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। টঙ্গীবাড়ীতে নির্বাচিত কমিটিকে অবশ্যয় অনুমোদন দেওয়া প্রয়োজন। এতে কারো দ্বিমত পোষন করার সুযোগ নেই। আগামীতে মুন্সীগঞ্জের আসন গুলো ধরে রাখতে হলে সকলকে ভেদাভেদ ভুলে যেয়ে জাতির জনক বঙ্গু বন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে।

মোঃ মোহসীন মাখন
সভাপতি, মুন্সীগঞ্জ জেলা কুষকলীগ
সদস্য বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি

গণতন্ত্র চেতনা বিরোধী এমন কোন সিদ্ধান্ত নিবে না

মুন্সীগঞ্জ জেলার ছয়টি থানা এবং মুন্সীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সম্মেলন কাউন্সিলের মাধ্যমে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। কাউন্সিলর পরিচালানা করেন,জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,সাধারন সম্পাদক এবং অধিকাংশ সম্মেলনেই জাতীয় সংসদের হুইপ এবং এমপি ও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে তা সমাপ্ত হয়। ইতিমধ্যে উক্ত কমিটি সমূহের অনুমোদনের জন্য জেলা আওয়ামীলীগ উদ্যোগ গ্রহন করেছে। কোন উপজেলা কমিটিকেই এখন পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া হয় নাই। ইতিমধ্যে একটি জাতীয় পত্রিকায় কোন উপজেলা কমিটির বাতিল বিষয়ে পত্রিকায় যে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে তা সর্বোচ্চই মিথ্যা,বানোয়াট এবং কাল্পনিক। দু’একটি উপজেলার প্রার্থীর বৈধতা নিয়ে অভিযোগ থাকলে তা পূঙ্খানূপূঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই শেষে গঠনতন্ত্র অনুসারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। গণতান্ত্রিক চেতনা বিরোধী এমন কোন সিদ্ধান্ত মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ নেবে না। তাই আমি বলতে চাই,আগামী জেলা সম্মেলনের পূর্বেই ছয়টি উপজেলা এবং একটি পৌর সভার পূনাঙ্গ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ঠ কমিটির সভাপতি এবং সাদারণ সম্পাদক বরাবর প্রেরন করা হবে।

মো: কামাল উদ্দিন আহমেদ
প্রচার সম্পাদক
জেলা আওয়ামীলীগ

দুর্দিনে-সুদিনে ভুতু হালদারই টঙ্গীবাড়ী আওয়ামীলীগের দলের পাশে ছিল

টঙ্গীবাড়ীতে ভুতু হালদার সুদিন-দুর্দিনে দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন। অনেক নেতাই এলাকায় থাকেন না। সে হিসেবে ভুতু হালদার সব সময়ই দলের জন্য কাজ করেছেন। দলের অগ্রভাগে থেকে দলকে চাঙ্গা করেছেন। যে মহল তাকে বিতর্কিত করতে চায় তারা পরাজিত লোক।

নজরুল ইসলাম সরকার
সহ-সভাপতি
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

ভুতু হালদার টঙ্গীবাড়ীতে দলের জন্য একজন নিবেদিত নেতা

টঙ্গীবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের কোন্দল নিরসন করা অত্যন্ত জরুরী। কোন্দল টিকে থাকলে দলের জন্য আগামী নির্বাচনে বিপর্য়য় ডেকে আনবে। জেলার সিনিয়র নেতাদের দলের জন্য বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে হবে। দল টিকে থাকলে পদ পাওয়া যাবে। পদের জন্য দলের বিপর্যয় ডেকে আনা বড় ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াবে। ভুতু হালদার টঙ্গীবাড়ীতে নিবেদিত একজন আওয়ামীলীগ নেতা। তার ব্যাপারে কোন দ্বিমত থাকার প্রয়াজন নেই।

ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান
সহ-সভাপতি
মুন্সীগঞ্জ জেলা কুষকলীগ

টঙ্গীবাড়ীতে হুইপ ম্যাডামের কর্মকান্ড ভুতু হালদারের মাধ্যমে হয়

টঙ্গীবাড়ীতে হুইপ ম্যাডামের কর্মকান্ড ভুতু হালদারের মাধ্যমে হয়। এটাই হিংসার কারন। তাছাড়া পরাজিত প্রার্থীরা দলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনছে। তারা পরাজিত হয়ে এখন ব্যক্তি আক্রোশে মেতে ওঠছে। দল থেকে এগুলো দূর করা অতি জরুরী। নইলে এ দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অন্য দল ফায়দা হাসিল করবে।

ওয়াহিদ হালদার
ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

ভুতু মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রগতিশীল মাইন্ডের লোক

ভুতু হালদার অবশ্যয় স্বাধীনতার পক্ষের এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রগতিশীল মাইন্ডের লোক। জেলার একজন বিশেষ লোকের প্রার্থী পরাজিত হয়ায় তার পেস্টিজ ইস্যূর কারনে তাকে এখন বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলীর পক্ষের লোক ভুতু। সে নেতা প্রকাশ্যে কিছূ বলে না ভেতরে ভেতরে কোন্দল পাকাচ্ছে।

শ্রী কমল চন্দ্র আইচ
দপ্তর সম্পাদক
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্যাড ভূয়া বলে প্রমানিত হয়েছে

সত্তরের আগে আমরা রাজনীতির সাথে জড়িত। কিন্তু কখনো শুনিনি তিনি স্বাধীনতা বিপক্ষের লোক। পরাজিত প্রার্থীরা পরাজিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কাউন্সিলরের মাধ্যমে ভুতু হালদার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। টঙ্গীবাড়ীতে তার জনপ্রিয়তা ব্যাপক। কাউন্সিলর হয়ে গেলে ছোট খাটো বিষয় গুলো গঠনতন্ত্র ৬ অনুসারে ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ডের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য গোলাম কবির শিকদার স্বাক্ষরিত যে চিঠির মাধ্যমে তাকে বিতর্কিত করা হয়েছে তা ভুয়া বলে প্রমানিত হয়েছে। চিঠিতে যে প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে তাও সঠিক নয়। সে বিষয়টি সম্পূর্ণ রূপে ভয়া বলে প্রমানিত হয়েছে।

মোজাম্মেল হক খাঁন
কোষাধাক্ষ
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

তখন তো আওয়ামীলীগ ছিল না

ভুতু হালদারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে এক সাথে কাজ করেছি। তাকে কখনো মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের লোক হিসেবে শুনিনি। তার পূর্ব পুরুষ ১৯৪৬ সালে অন্য কোন দল করতেই পারেন। তখন তো আওয়ামীলীগ ছিল না। তার বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। তিনি দলের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ।

এ্যাডভোকেট ঢালী মোয়াজ্জেম হোসেন
সদস্য
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

নেত্রীর সাথে সরাসরি আলাপ-আলোচনা করেছেন

ভুতু হালদার জেলা কমিটিতে আছেন। জাতীয় নির্বাচনের জন্য নমিনেশন চাইছেন। নেত্রীর সাথে সরাসরি তিনি আলাপ-আলোচনা করেছেন। তার ব্যাপারে কখনো কোন অভিযোগ শুনিনি। শুধু মাত্র পরাজিত প্রার্থীরাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটা দলের জন্য বিরাট ক্ষতি। এগুলো অতি দ্রুত নিরসন করতে হবে।

হারুন অর রশিদ
সদস্য
মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব পড়বে

টঙ্গীবাড়ীতে যেভাবে কোন্দল এবং অনৈক্য দেখা দিয়েছে তা দলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। ভুতু হালদার প্রকাশ্যে কাউন্সিলরের মাধ্যমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেছেন। টঙ্গীবাড়ীতে তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তাকে নিয়ে বিতর্কের কিছূ নেই। তাহলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে।

মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁন
সাধারন সম্পাদক
আউটশাহী ইউনিয়ন

ঐক্যের ফাটল ধরছে

টঙ্গীবাড়ীতে কোন্দলের জন্য জেলা নেতৃবৃন্দ দায়ী। এতে দল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গ্র“পিং হয়ে দলের ভেতর কয়েকটি বিভাজন তৈরী হয়েছে। এটা দলের জন্য ইতিবাচক নয়। এতে ঐক্যের ফাটল ধরছে।

মোঃ সারু কাজী
সাধারণ সম্পাদক
সোনা রং ইউনিয়ন

নিজের নির্বাচনের চেয়ে জাতীয় নির্বাচনে বেশি পরিশ্রম করেছেন

টঙ্গীবাড়ীতে ভুতু হালদার দলের জন্য একজন নিবেদিত প্রান। তিনি এলাকায় তৃনমূল পর্যায়ে একজন জনপ্রিয় নেতা। তাকে নিয়ে স্বার্থন্বেষী মহল যে বিতর্ক করতে চাচ্ছে তা অনৈতিক। তিনি নিজের নির্বাচনের চেয়ে জাতীয় নির্বাচনে বেশি পরিশ্রম করেছেন।

মোঃ আক্তার হোসেন
সাধারন সম্পাদক
বেতকা ইউনিয়ন

এটা গণতান্ত্রিক মূল্যেবোধের পরিপন্থি

সম্পূর্ন নিরপেক্ষ এবং প্রকাশ্যে কাউন্সিলরের মাধ্যমে টঙ্গীবাড়ীতে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে। এখানে বিতর্কিত হয়ার কোন সুযোগ নেই। যারা তার বিরোধীতা করছে তারা দীর্ঘদিন তার সাথে সভা-সমাবেশ করেছে তখন কোন সমস্যা হয়নি। এখন পরাজিত হয়েছে বলেই যতো সমস্যা। একজন লোক যে কোন পীরের মুরিদ হতে পারে। তাই বলে কি সে আওয়অমীলীগ করতে পারবে না? এটা গণতান্ত্রিক মূল্যেবোধের পরিপন্থি। দলের মধ্যে বিভাজন তৈরী হলে তা হবে আত্মঘাত মূলক।

মোঃ মনির ফকির
সাবেক সভাপতি
হাসাইল ইউনিয়ন

মুন্সিগঞ্জের বাণী