লৌহজংয়ে গৃহ-পরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন

ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের ঘোড়দৌড় এলাকাস্থ পদ্মার ভাঙন কবলিত পরিত্যক্ত একটি সরকারি ভবনে চিনু আক্তার (১৮) নামে এক গৃহ-পরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করার অভিযোগ। রোববার সন্ধ্যায় নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়ি বালিগাঁওয়ের ইসলামপুর গ্রামে দাফন করা হয়। এ নিয়ে সোমবার একটি প্রভাবশালী জাতীয় দৈনিকসহ (সমকাল) ঢাকা নিউজ এজেন্সিসহ কয়েকটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে সাধারণ ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্বহীন ভূমিকা নিয়ে চলে নানা সমালোচনা।


লৌহজং থানার ওসি জাকিউর রহমান জানান, গৃহ-পরিচারিকা সাংবাদিক সাইদুর রহমান টুটুলের বাড়িতে কাজ করতো । টুটুল ওই সরকারি ভবনে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। সরকারি ভবনে টুটুলের বাড়ির গৃহ-পরিচারিকা চিনু বিষপানে আতœহত্যা করেছে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। তাই এর বাইরে কিছু জানি না।

নিহত চিনু আক্তার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁয়ের ইসলামপুর গ্রামের করিম মোল্লার অবিবাহিত মেয়ে। দিন মজুর করিম মোল্লার ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। পদ্মার তা-বে বহর গ্রাম বিলীন হয়ে গেলে অভাবী করিম মোল্লা ইসলামপুর গ্রামে এসে আশ্রয় নেয়। নিহত চিনু তার ছোট মেয়ে।
এলাকার একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, কাজের মেয়ে চিনু গর্ভবতী ছিল। এ নিয়ে গৃহ-পরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়। পরে রাগে-ক্ষোভে বিষপান করে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপাওে দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি সাইদুর রহমান টুটুল জানান, শনিবার রাতে ভুল বশত: তার বাড়ির গৃহ-পরিচারিকা চিনু আক্তার পুরো ১ বোতল ঠান্ডার সিরাপ খেয়ে ফেলে। এ সময় তার পেট খালি থাকায় ঠান্ডার সিরাপ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে রাত ১২ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথিমধ্যে চিনু মারা যায়।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি