লৌহজংয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, আইন শৃঙ্খলা কমিটিতে ক্ষোভ

লৌহজংয়ের মাওয়ায় গণপিটুনিতে ছিনতাইকারীর মৃত্যুর ঘটনা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির কাছে প্রশ্ন বিদ্ধ হয়েছে পুলিশের ভূমিকা । আজ রোববার লৌহজং উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়।

মাওয়া ঘাট ও চৌরাস্তায় পুলিশ থাকলেও গভীর রাতের এ ঘটনা পুলিশ জানতে না পারায় কমিটি ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করে। রাত ২ থেকে আড়াইটার মধ্যে ছিনতাইকারী খুনের এ ঘটনা ঘটলেও পুলিশ পর দিন সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে। আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যদের প্রশ্ন-ঘটনার সময় পুলিশ কোথায় ছিল?।

লৌহজং উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গণি তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বেপারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রানু আক্তারসহ কমিটির অনেকেই পুলিশের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের পক্ষে মত দেন। তবে থানায় মামলা হওয়ায় পুলিশকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে অনতিবিলম্বে উপজেলা আইন শঙ্খলা কমিটিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১ লা জুন গভীর রাতে মাওয়া ঘাট এলাকার মৎস্য আড়তের পাশে ছিনতাইকারী সন্দেহে জলিল সরকার(১৬) নামে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে খুন করা হয়। তবে এ খুন নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিহত জলিল মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দিস্থ খলবেপারী গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।

ঢাকা নিউজ এজেন্সি