ভাগ্যকুলে পদ্মার ভাঙ্গনে বেরিবাধঁসহ ৮টিদোকান ও বসতঘর বিলীন

রুবেল ইসলাম: লৌহজংয়ের পার্শ্ববর্তী শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুলে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ভাগ্যকুল বেড়িবাঁধসহ আটটি দোকান ও বসতবাড়ি। বর্তমানে ভাগ্যকুলে ভাঙনে মাছ বাজারসহ অর্ধশতাধিক দোকানঘর নদীতে যাওয়ার আশংকা রয়েছে এবং বেড়িবাঁধ আংশিক ভেঙে যাওয়ায় মাওয়া-ভাগ্যকুল সড়কে যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়েছে। এদিকে হুমকির মুখে রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক বসতবাড়ি। স্থানীয় গ্রামবাসী বাঁশ দিয়ে ভাঙন ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গ্রামবাসী এমদাদ হোসেন জানান, সম্প্রতি নিম্নচাপ ও অতিবর্ষণে পদ্মা উত্তাল হয়ে উঠে। ফলে ভাগ্যকুল গ্রামসহ নদী তীরবর্তী আশপাশ গ্রামগুলোতে ভাঙন দেখা দিয়েছে।এ সময় ভাগ্যকুল বাজারের মঙ্গল সরদার , রহিম শিকদার , আজিজুল আকনসহ বেশ কয়েকজনের দোকানঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে যায় ।

স্থানীয় বাসিন্দা মজিবর রহমান জানান, ভাগ্যকুল বাজারের আটটি দোকানঘর পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া ভাগ্যকুল বেড়িবাঁধ ও তীরবর্তী পাঁচটি বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে।ভেঙে যাওয়া বসতবাড়ির মানুষজন বর্তমানে বেড়িবাঁধের উপর আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভাগ্যকুল বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মানুষের ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাগ্যকুলসহ আশপাশ গ্রামে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত থাকলেও প্রতিরোধে সরকারি ভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সঠিক সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলে বড়িবাঁধ রক্ষা করা যেত।

মুন্সীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন জানান, ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া ভাঙনের ছবিসহ লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে।