সজলের মরদেহ উদ্ধারের অভিযান স্থগিত

sajal25এভারেস্ট চূড়া থেকে নেমে আসার সময় নিহত সজল খালেদের মরদেহ উদ্ধারের অভিযান বিরূপ আবহাওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে। এভারেস্ট জয় করে ফেরা হলো না খালেদের নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (কনস্যুলার) শামীমা চৌধুরী সোমবার দুপুরে টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সজলের মরদেহের সন্ধানে শেরপারা আজ সকালে দ্বিতীয় দফায় এভারেস্টের সাউথ সামিটে ওঠেন।

“কিন্তু তারা সেখানে তার লাশ খুঁজে পাননি। তাছাড়া সেখানে প্রচণ্ড তুষারপাত হচ্ছে। এ কারণে শেরপারা আজ বেইজ ক্যাম্প-৪ এ ফিরে এসেছেন।”


শামীমা জানান, সজলের লাশ খোঁজার জন্য নেপালী কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সময় নেয়া আছে। আবহাওয়া ভাল হলে অথবা কোনো খবর পাওয়া গেছে শেরপারা আবারো সেখানে অভিযান চালাবেন।

সোমবারের অভিযানে সাউথ সামিটে সজলের ব্যবহৃত দুটি মাস্ক পাওয়া গেছে বলে শামীমা জানান।

রোববারও হিমালয়ের ৮ হাজার ৭৫০ মিটার উচ্চতায় সাউথ সামিটে সজলের মরদেহের খোঁজে তল্লাসি চালান শেরপারা। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ‘ডেথ জোনে’ অবস্থান করে সজল খালেদের ব্যাগ খুঁজে পান তারা।

সজলের মরদেহ বরফে ঢেকে গিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন শেরপারা।

এভারেস্ট চূড়া থেকে ফেরার পথে গত ২০ মে মারা যান চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ খালেদ হোসেন, সজল খালেদ নামেই যিনি পরিচিত।

তার মরদেহ উদ্ধারে গত শুক্রবার সেভেন সামিট ট্র্যাকিং লিমিটেডের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয় নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের। চুক্তি অনুযায়ী, শনিবার হিমালয়ের বেস ক্যাম্প থেকে সাউথ সামিটের পথে রওনা দেন শেরপারা।

প্রতি আধা ঘণ্টা পরপর উদ্ধার তৎপরতার সর্বশেষ অবস্থা ও ভিডিওচিত্র সরবরাহের পাশাপাশি স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেভেন সামিট কর্তৃপক্ষ।

প্রকৌশল ডিগ্রিধারী সজল খালেদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। হিমালয়ের মেরা পিক, চুলু ওয়েস্ট ও লান্সিসারি চূড়া জয় করেছিলেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর