প্রধানমন্ত্রীর মুন্সীগঞ্জ সফর: আ.লীগের ব্যাপক প্রস্তুতি

পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শন, দুটি জাহাজ ও বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দিতে মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

মুন্সিগঞ্জ সফরে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দিবেন। এ জনসভায় দুই লাখ লোকের জমায়েত করার টার্গেট আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের।

জানা গেছে, সরকার গঠনের ৪ বছর ৪ মাস পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুন্সীগঞ্জে আগমনকে কেন্দ্র করে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠছে। দলীয় জনসভাকে সফল করার জন্য গত এক সপ্তাহ ধরে সাংগঠনিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করে জেলার নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ও তিনটি নির্বাচনি এলাকায় জন প্রতিনিধিরা মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগ এলাকায় দলীয় জনসভায় ব্যাপক লোক জমায়েতের লক্ষে কাজ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার এ জনসভায় দুই লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিত করার জন্য আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, জেলার ৬টি উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ জনসভায় যোগদানের লক্ষে দলীয় সমর্থক, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা সাধারণ মানুষকে উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। লৌহজংয়ে বিরাজ করছে সাজসাজ রব। দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাটানো রঙিন পোস্টার, প্লেকার্ড, ব্যানার ও তোরণ দেখা গেছে বিভিন্নস্থানে।

অপরদিকে সাধারণ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশীর ভাগ মানুষেরই প্রধান দাবি পদ্মা সেতু নির্মাণের। এ সেতু নির্মিত হলে এলাকার উন্নয়নসহ নদী ভাঙন রোধ হবে বলেও মনে করছেন তারা।

মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ লুৎফর রহমান বাংলানিউজকে জানান, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনের পর দলীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন।

এ জন্য জনসভায় পুরো জেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মীসহ দুই লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত করার টার্গেট নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, এছাড়া মুন্সীগঞ্জের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জনসভায় যোগদান করবেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১২ জুলাই মুন্সীগঞ্জের লৌহজয়ের কুমারভোগ এলাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করার একযুগ পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে আবারও তিনি আসছেন।

আর সর্বশেষ তিনি ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের সময় মুন্সীগঞ্জের বালিগাওঁ স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

এরপর সরকার গঠন করার পর তিনি মুন্সীগঞ্জে আসেননি। ৪ বছর ৪ মাস পর মঙ্গলবার ২৮ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুন্সীগঞ্জে আসছেন।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
================

মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের যাচ্ছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের এক যুগ পর মঙ্গলবার দক্ষিনবঙ্গের প্রবেশ দুয়ার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়াঘাটে পদ্মা সেতু নির্মান প্রকল্প এলাকায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ক্ষমতার মেয়াদের শেষ বছরে মন্ত্রী-আমলাদের দুর্নীতি ও পদ্মা সেতু নির্মানে সরকারের ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে প্রধান মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির নানা হিসেব-নিকেষ করছেন সবাই।

দক্ষিনবঙ্গের ২৩ জেলার সড়ক পথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে পদ্মা সেতু নির্মানে ব্যর্থতার ফিরিস্তি শোনার ধৈর্য নেই কারো। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমনকে তাই দক্ষিনবঙ্গ ও মুন্সীগঞ্জের মানুষ জন মহাজোট সরকারের পদ্মা সেতু নির্মানে ব্যর্থা গুচবে বলে আশায় বুকে বাঁধতে যাচ্ছেন। এ অঞ্চলের মানুষের বহুল আকাংিঙখত ও স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মান কাজ শুরুর নতুন বার্তা দিয়ে যাবেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিা। প্রাপ্তি আর প্রত্যশায় নানা জনের নানান মত উঠে এলেও সবারই প্রথম চাওয়া পদ্মা সেতু নির্মান হউক। বেশী ভাগ মানুষই সরকারের মেয়াদের শেষ বছরে পদ্মা সেতু নির্মানে মহাজোট সরকারের ব্যর্থতা গুচার পক্ষে আশাবাদী।

মঙ্গলবার প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়াঘাটে পদ্মা সেতু নির্মান প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করবেন। এ সময় তিনি নৌ-দুর্ঘটনায় দেশে নতুন যোগ হওয়া ২ টি উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ও নির্ভীকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করবেন। এছাড়া লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ এলাকায় পদ্মা সেতু নির্মানে পুর্নবাসন এলাকায় জনসভায় বক্তৃতা করবেন। এর আগে ২০০১ সালের ১২ জুলাই মুন্সীগঞ্জের লৌহজয়ের কুমারভোগ এলাকায় পদ্মা সেতু নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন প্রধান মন্ত্রী। এরপর গেলো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামনে লৌহজং উপজেলার বালিগাঁও মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করেন শেখ হাসিনা।

জাতীয় সংসদের হুইপ ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির নির্বাচনী এলাকা জেলার লৌহজংয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ আগমন আওয়ামীলীগের জন্য রাজনৈতিক বেনিফিট হবে বলেই মনে করছেন অনেকে। জেলা আওয়ামীলীগ, জেলা ছাত্রলীগ ও লৌহজং উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

এদিকে, সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আফসার উদ্দিন ভূঁইয়া আফসু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো: আশাদুজ্জামান সুমন ও শহর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান ভুঁইয়া প্রধানমন্ত্রীর আগমনে আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন। তারা সবাই পদ্মা সেতু নির্মানে মহজোট সরকারের ব্যর্থতা ঘুচে নতুন দিগন্তের শুভ সূচনা হওয়ার দৃঢ়-আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

যমুনা নিউজ
============

প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় আসছেন: সাজ সাজ রব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়া আসছেন। এই সফরকে কেন্দ্র করে এখানে আনন্দের বন্যা বইছে। যা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা জেলায়।

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিয়ে পদ্মাপারের মানুষ একরকম উৎসব আনন্দে উদ্বেলিত। সাজ সাজ রব চলছে এখন। রংবেরংয়ের ব্যানার আর ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা। এবারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মুন্সীগঞ্জ জেলায় শেখ হাসিনার এটি প্রথম সফর। সর্বশেষ তিনি ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও এসেছিলেন অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলির নির্বাচনী প্রচারনার জনসভায়। সে সফরে যেমন বিএনপির দূর্গ হিসাবে পরিচিত এই জেলার সবক’টি আসন জয় করে আওয়ামী লীগ। তেমনই এবারে আগমনও এই অঞ্চলের সম্ভবনার দুয়ার খুলে যাবে এমনটাই আশা করছেন এলাকাবাসী।

প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় ‘নির্ভীক’ ও ‘প্রত্যয়’ নামের বিআইডব্লিউটিএ’র দু’টি উদ্ধারকারী জাহাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ছাড়াও কুমারভোগ জনসভাস্থলে বেতকা-তেঘরিয়া সড়কে ধলেশ্বরী নদীর উপর ৮০.২৫৭ মিটার গার্ডার ব্রীজ, শ্রীনগরের যদুনাথ রাজার বাড়ির ‘বিক্রমপুর জাদুঘর’, সদর উপজেলার রঘুরামপুরের বিক্রমপুর বৌদ্ধ বিহারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ফলক উন্মোচন করবেন। একই সাথে টঙ্গীবাড়ী ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি এবং বিক্রমপুর যাদুঘরের সংলগ্ন সাংস্কৃতিক প্রান্থশালার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার দুপুর সোয়া দুইটার দিকে তেজগাঁও হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর জেলার শ্রীনগর উপজেলার দোগাছি হেলিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহন করা হেলিকপ্টার অবতরণ করবে। সেখান থেকে তিনি গাড়িযোগে মাওয়া আসবেন বিকাল ৩টায়। এখানে উদ্ধাকারী জাহাজ উদ্বোধন শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাওয়ার পার্শ্ববর্তী কুমারভোগ পদ্মা সেতু পুনর্বাসন কেন্দ্রের জনসভাস্থলে আসবেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সোমবার মাওয়ায় এক চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা হয়েছে। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পদাদক জিএম মোজাম্মেল এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুনন্নেছা ইন্দিরা এমপি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ডাবলু, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান শেখর, আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্দি দাস, উপ-কমিটির সহ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবির প্রমুখ।

প্রস্তুতি সভা শেষে অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের সম্ভবনার দুয়ার খুলে যাবে। প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের মানুষের সব যৌক্তিক দাবীই পূরণ করবেন। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মাওয়ার কর্মসূচীস্থল পরিদর্শন এবং প্রস্তুতির খুঁটিনাটি খোঁজ খবর শেষে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিয়ে জনমনে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসব আমেজ বইছে। সব কিছু মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফরটি স্মরনীয় একটি আয়োজন হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল রাতে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের নিরাপত্তাসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার পদ্মাপাড়ে এক ভিন্ন রকমের উৎসব বসবে। এখন সেই ক্ষনটির অপেক্ষামাত্র।

এদিকে এলকাবাসীর প্রত্যাশা- প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর সঠিক দিকনির্দেশনাসহ মাওয়াকে পর্যটন জোন হিসাবে ঘোষণা, পাবলিক বিশ্ব বিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, মাওয়া পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ এবং পদ্মায় জেগে উঠা বিশাল চরে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করা হউক।

প্রধানমন্ত্রী বিকাল ৩টায় লৌহজংয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্প পরিদর্শনসহ মাওয়ায় ‘নির্ভীক’ ও ‘প্রত্যয়’ নামের বিআইডব্লিউটিএর দু’টি উদ্ধারকারী জাহাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এই দু’টি জাহাজ রুস্তম ও হামজার সাথে নৌ দুর্ঘটনায় কাজ করবে। কোরিয়া নির্মাণ করা বিআইডব্লিউটিএ’র এ জাহাজ দু’টির প্রতিটির উত্তোলন ক্ষমতা ২৫০মেট্রিক টন। জাহাজের ক্রেন বার্জের সাথে ৩২০০ হর্স পাওয়ার ক্ষামতা সম্পন্ন দুটি টাগবোট রয়েছে।

জাহাজ দু’টি উদ্বোধন শেষে বিকাল সাড়ে ৩ টায় প্রধানমন্ত্রী কুমারভোগ পদ্মা সেতু পূর্ণবাসন কেন্দ্রের বিশাল ফাকা জায়গায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দিবেন।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ