মুন্সীগঞ্জে জরাজীর্ণ ২ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন সিলগালা

primaryaশেখ মো.রতন: মুন্সীগঞ্জ সদরের ঝুকিপূর্ণ পৃথক ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের দ্বিতীয় তলার শ্রেনীকক্ষ ও নীচতলার শিক্ষকদের ২ টি কক্ষ সোমবার সকালে পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। জেলা সদরে চলতি শিক্ষা-বছর ষষ্ঠ শ্রেনীতে উত্তীর্ন কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উপর ও নীচতলায় বড় ধরনের ফাঁটল দেখা দেওয়ায় সোমবার বেলা ১২ টার দিকে দ্বিতীয় তলার ষষ্ঠ শ্রেনীর কক্ষ ও নীচতলার প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো: সাহাবউদ্দিন খান।

তিনি জানান, এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চলতি শিক্ষা-বছরে ষষ্ঠ শ্রেনী পর্যন্ত উত্তীর্ণ করা হয়। প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত সাড়ে ৪’শ শিক্ষার্থীর সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হওয়া ৩’শ শিক্ষার্থী যোগ হয়েছে এ বছর। অথচ দ্বিতল ভবনে শ্রেনীকক্ষের সংখ্যা বাড়েনি। উপরন্তু দ্বিতল ভবনের উপরের তলার ও নীচতলার ২ টি কক্ষ ব্যবহার করা ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠায় সিলগালা করা হয়।
primarya
এদিকে, আগের দিন রোববার দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক এস এম মেসবাহ-উল-ইসলামের সাক্ষর করা প্রেরিত এক চিঠির প্রেক্ষিতে ইদ্রাকপুর মডেল ১ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের ৪ টি শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের ১ টি কক্ষ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ সিলগালা করে দিয়েছে। সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আজগর আলী জেলা সদরের ২ টি পৃথক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ালে শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, জেলা শহরের মধ্য কোর্টগাঁও এলাকাস্থ মুন্সীগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহীদুল্লাহ শহীদ জানান, পুরাতন দ্বিতল ভবনের নীচতলার ষষ্ঠ শ্রেনীর ক ও খ শাখার ২ টি শ্রেনীকক্ষ এবং শিক্ষকদের ও অফিস কক্ষের পলেস্তার খসে পড়াসহ একাধিক স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সুপার মার্কেটের দ্বিতল ভবনেও ফাঁটল দেখা দেওয়ায় দোকানদার-ব্যবসায়ীদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বিন্দু আর্ট অ্যান্ড পাবলিকেশন দোকানটি পলেস্তার খসে জরাজীর্ণ অবস্থায় রুপ নিয়েছে। এ মাকের্টের ডা: আমিরুজ্জামান সুমন ও ডা: নিজাম উদ্দিন হেলালের চেম্বারের কক্ষেও রয়েছে বেশ বড় ধরনের ফাঁটল। এ কক্ষগুলোতে অনেক জায়গা জুড়ে পলেস্তার খসে পড়ছে ও ফাঁটলের চিহ্ন গুলো দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ডা: আমিরুজ্জামান সুমন সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিন আগেই ফাঁটলের স্থানে সংস্কার কাজ করা হয়েছে। তবে মার্কেটের কয়েকটি দোকান ও ডাক্তারের চেম্বারের বাইরের দেয়ালে ফাঁটল রয়েছে।#

টাইমস্ আই বেঙ্গলী
=====================

একশ’ বছরের পুরনো বিদ্যালয়টি পরিত্যক্ত ঘোষণা

একশ’ বিশ বছরের পুরনো মুন্সীগঞ্জের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ এভিজেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে বিদ্যালয়টি সিলগালা করে দেয়া হচ্ছে। এরমধ্যে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্রসহ প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে বিদ্যালয় কর্তপক্ষকে। এতে করে ১ হাজার ৬৫০ জন শিক্ষার্থীর পড়াশুনায় সাময়িক ব্যাঘাত ঘটবে বলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন। যদিও সেখানে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া ও নতুন ভবন কবে নির্মাণ হবে-এর নিশ্চয়তা স্কুল কর্তপক্ষ এখনও পাননি।


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় তলার মূল ভবনটি পুনরায় নির্মাণের জন্য গতকাল সোমবার পর্যন্ত কোন বাজেট বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে কোন আবেদন করা হয়নি। এতে করে বিদ্যালয়টির ১ হাজার ৬৫০ জন শিক্ষার্থীর পড়াশুনা ও শিক্ষক-কর্মচারিদের দায়িত্ব পালনে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারি প্রকৌশলী নির্মল চন্দ্র সাহা জানান, এভিজেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ২ বার পরিত্যক্ত ঘোষণা করে চিঠি দেয়া হয়েছে। কাল মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়ের মূল ফটকে ‘সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি’র সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হবে।

এছাড়া জেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা উপ-সহকারি প্রকৌশলী ও প্রধান শিক্ষকদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ ও অকোজো বিদ্যালয় ভবনের তালিকা চেয়ে গত ২ মে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠি প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে তা অবহিত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এভিজেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।


এর আগে গত বছরের ১৯ জানুয়ারি বিদ্যালয়টি সংস্কারের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে ৩৫-৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্ত তা আজোবধি আলোরমুখ দেখেনি। রবিবার বিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি সিলগালা করে দেবেন। সিলগালা হয়ে যাওয়ার পর জেলা প্রশাসকের প্রশাসনের সহযোগিতায় সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্কুলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সেমি পাকা ভবন নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে তিনি দাবি বরেন। সূত্রমতে, বিদ্যালয়টি ১৮৯২ সালের শহরের কোর্টগাঁও এলাকায় স্থাপিত হয়। ১৯৯১ সালে জাতীয় অর্থায়নে পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

জাস্ট নিউজ
==========

মুন্সীগঞ্জে জরাজীর্ণ ২ টি বিদ্যালয়ের ভবনের কক্ষ সিলগালা

রাজীব হোসেন বাবু: মুন্সীগঞ্জ সদরের ঝুকিপূর্ণ পৃথক ২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের দ্বিতীয় তলার শ্রেনীকক্ষ ও নীচতলার শিক্ষকদের ২ টি কক্ষ আজ সোমবার সকালে পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। জেলা সদরে চলতি শিক্ষা-বছর ষষ্ঠ শ্রেনীতে উত্তীর্ন কেওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উপর ও নীচতলায় বড় ধরনের ফাঁটল দেখা দেওয়ায় সোমবার বেলা ১২ টার দিকে দ্বিতীয় তলার ষষ্ঠ শ্রেনীর কক্ষ ও নীচতলার প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো: সাহাবউদ্দিন খান।

তিনি জানান, এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চলতি শিক্ষা-বছরে ষষ্ঠ শ্রেনী পর্যন্ত উত্তীর্ণ করা হয়। প্রথম শ্রেনী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত সাড়ে ৪’শ শিক্ষার্থীর সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হওয়া ৩’শ শিক্ষার্থী যোগ হয়েছে এ বছর। অথচ দ্বিতল ভবনে শ্রেনীকক্ষের সংখ্যা বাড়েনি। উপরন্তু দ্বিতল ভবনের উপরের তলার ও নীচতলার ২ টি কক্ষ ব্যবহার করা ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠায় সিলগালা করা হয়।

এদিকে, আগের দিন রোববার দুপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক এস এম মেসবাহ-উল-ইসলামের সাক্ষর করা প্রেরিত এক চিঠির প্রেক্ষিতে ইদ্রাকপুর মডেল ১ নম্বর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের ৪ টি শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের ১ টি কক্ষ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ সিলগালা করে দিয়েছে। সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আজগর আলী জেলা সদরের ২ টি পৃথক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ালে শ্রেনীকক্ষ ও শিক্ষকদের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
primary
এদিকে, জেলা শহরের মধ্য কোর্টগাঁও এলাকাস্থ মুন্সীগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের বেশ কয়েকটি কক্ষে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহীদুল্লাহ শহীদ জানান, পুরাতন দ্বিতল ভবনের নীচতলার ষষ্ঠ শ্রেনীর ক ও খ শাখার ২ টি শ্রেনীকক্ষ এবং শিক্ষকদের ও অফিস কক্ষের পলেস্তার খসে পড়াসহ একাধিক স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সুপার মার্কেটের দ্বিতল ভবনেও ফাঁটল দেখা দেওয়ায় দোকানদার-ব্যবসায়ীদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় বিন্দু আর্ট অ্যান্ড পাবলিকেশন দোকানটি পলেস্তার খসে জরাজীর্ণ অবস্থায় রুপ নিয়েছে। এ মাকের্টের ডা: আমিরুজ্জামান সুমন ও ডা: নিজাম উদ্দিন হেলালের চেম্বারের কক্ষেও রয়েছে বেশ বড় ধরনের ফাঁটল। এ কক্ষগুলোতে অনেক জায়গা জুড়ে পলেস্তার খসে পড়ছে ও ফাঁটলের চিহ্ন গুলো দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ডা: আমিরুজ্জামান সুমন সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিন আগেই ফাঁটলের স্থানে সংস্কার কাজ করা হয়েছে। তবে মার্কেটের কয়েকটি দোকান ও ডাক্তারের চেম্বারের বাইরের দেয়ালে ফাঁটল রয়েছে।

ইউএনএসবিডি