সিরাজদিখানে ক্লাব ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ!

বুধবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার তুলশীখালীতে ক্লাবঘর উঠানোকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। এসময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় উভয় পক্ষের ২০/২৫ জন আহত হয়। আহতরা এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত ইলিয়াছের অবস্থা আশংকাজনক।

জানা যায়, গত কিছুদিন থেকে তুলশীখালী গ্রামের জনৈক ইলিয়াছ ও তার সহযোগী কয়েক যুবক অসৎ উদ্দেশ্য সাধন এবং অর্থ উপার্জনের জন্য একটি ক্লাবঘর নির্মাণ করার পায়তারা করছে।

এদের অতীতের কর্মকান্ডের উপর ভিত্তি করে উক্ত ওয়ার্ড মেম্বারসহ গ্রামের সর্বস্তরের নিরীহ জনগণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ক্লাবঘর উত্তোলনে মৌখিক ভাবে বাধা দেয়। কিন্তু এতে ক্ষান্ত হয়নি ইলিয়াছ বাহিনী। জনগণের বাঁধা উপেক্ষা করে বুধবার সকাল ৯টার দিকে ইলিয়াছ বাহিনী অবৈধ অস্ত্রের মহরা দিয়ে ক্লাবঘর উত্তোলন করতে গেলে তুলশীখালী গ্রামের ওয়ার্ড মেম্বারসহ সর্বস্তরের জনগণ এতে বাঁধা সৃষ্টি করে। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়ে চরম আকার ধারন করলে এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।

ইলিয়াছ বাহিনীর নেপথ্যে রয়েছে পুলিশ এসল্ট মামলার প্রধান আসামী প্রাক্তন ইউপি সদস্য হেলাল মিয়া। এ ঘটনায় তুলশীখালীতে চরম আতংক বিরাজ করছে। যেহেতু তুলশীখালী একটি ক্রাইম জোন এখানে দিনের বেলায় পুলিশের কর্তব্যে বাঁধা দিয়ে পুলিশদের মৃত্যুর মুখোমুখি দাড় করায়, দিনে দুপুরে সাংবাদিকদের গুলিকরে ফেলে রাখে, অবৈধ চাদাবাজী, অস্ত্রব্যবসা, মাদক ব্যবসা, প্রকাশ্যে জুয়া খেলা এবং রাতের আঁধারে বাস ডাকাতি করে।

এখানে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার সহ নানা ধরনের বিপদের আশংকা বিরাজ করছি।

গ্রামবাসীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, কিছুদিন যাবৎ এলাকায় কোন গন্ডগোল ছিল না। পরিকল্পিত ভাবে একটি মহল তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এসব ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে। থানায় ফোন করলেও পুলিশ আসতে চায় না। কারণ তারা এতই ভয়ঙ্কর যে পুলিশের উপরে ঝাপিয়ে পড়ে। তাই এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য তুলশীখালীতে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসী দাবী জানায়।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ