লৌহজংয়ে বিচারপতি ও এ্যাটর্নি জেনারেল সংবর্ধিত

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সংবর্ধিত হলেন বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি এএইচএম সামসুদ্দিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ এ্যার্টনি জেনারেল এ্যাডভোকেট মাহাবুবে অলম। লৌহজং বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শুক্রবার বিকেলে কলেজ প্রাঙ্গণে লৌহজংয়ের এই দুই কৃতী সন্তানের জন্য এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ ফকির আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। সংবর্ধিত ব্যক্তি সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি এএইচএম সামসুদ্দিন চৌধুরী ও এ্যাটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম বক্তব্য রাখেন।


অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক সাবেক এমপি ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাকির হোসেন খান, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জগলুল হাওলাদার ভুতু, লৌহজং উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রদি সিকদার, জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম খান, লৌহজং উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মেহেদি হাসান, ছাত্র নেতা তোফাজ্জল হোসেন তপন, সফিকুল ইসলাম মাদবর, লিংকন হাওলাদার ও মাসুম আহমেদ পিন্টু।

অনুষ্ঠানে বিচারপতি এএইচএম সামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ইসলাম ধর্ম সর্বপ্রথম গ্রহণ করেছিলেন একজন নারী। সনাতন ধর্মেও সর্বপ্রথম একজন নারী অশুরকে বথ করেছিলেন। খ্রীস্টান ধর্মেও মরিয়মের পেট থেকে জন্ম নিয়েছিলেন যিশু খ্রীস্ট। নারী জাতি পিছিয়ে থাকলে কোন জাতিই উন্নত হতে পারে না। নারীর অগ্রযাত্রা কোন অপশক্তিই পিছিয়ে রাখতে পারবে না।


এ্যাটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম বলেছেন, ১৩ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশে স্কুল থাকবে না। আর স্কুল না থাকলে মেয়েরা এগিয়ে যেতে পারবে না। মেয়েরা ঘর থেকে বের হতে পারবে না। তিনি বলেন, রসূলে করিম হযরত মোহাম্মদ (স) বলেছেন জ্ঞান অর্জন করতে হলে যদি তোমাদের সুদূর চীনে যেতে হয়, তবে সেখানে যাও। তাই রসূলে করিম যেখানে জ্ঞান অর্জনের জন্য বলেছেন সেখানে স্কুল বন্ধ করে দিলে জাতি এগিয়ে যাবে কিভাবে? বিক্রমপুরে শত শত বছরের পুরনো স্কুল রয়েছে। এ থেকে বুঝা যায় এ অঞ্চলে বহু পূর্ব থেকে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আরও স্কুল কলেজ এখানে প্রতিষ্ঠা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। তাই বলে দেশে স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেয়া যাবে না। এ বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ফল আপনারা দেখে যেতে পারবেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে চলেছি।

জনকন্ঠ