মুন্সীগঞ্জে সোমবারের হরতাল নিয়ে হেফাজতের পরিকল্পনা

সোমবার সকাল-সন্ধ্যা হরতালে মাঠে থাকবে হেফাজত ইসলাম-মুন্সীগঞ্জ। হরতাল সফল করতে তারা ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের নিমতলা, কুচিয়ামোড়া, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের ভবেরচর, শহর উপকণ্ঠের মুক্তারপুরে পিকেটিং করবে হেফাজতের নেতাকর্মীরা। মুন্সীগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের দাবি, যে কোন ভাবে হরতাল সফল করা হবে। জেলা হেফাজত ইসলামের সভাপতি মধুপুরের পীর হযরত মাওলানা আব্দুল হামিদের ছেলে সিরাজদিখান উপজেলার সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কাশেমী বলেন, হরতালে অচল হয়ে পড়বে মুন্সীগঞ্জ জেলা।

আমরা ভোর থেকেই ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের নিমতলা, কুচিয়ামোড়া এলাকায় অবস্থান করবো। নাস্তিক-মুরতাদদের মোকাবেলা করা হবে।


সদর উপজেলার সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা স্বত:স্ফুর্তভাবে হরতাল সফল করবো। এ বিষয়ে সবার সঙ্গে পরামর্শ করা হচ্ছে। মুক্তারপুর ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান নিয়ে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সড়ক পথের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে।

এদিকে, পুলিশের শত বাঁধা উপেক্ষা করে শনিবার মুন্সীগঞ্জ জেলা থেকে ঢাকা অভিমুখে পায়ে হেঁটে, ট্রলার দিয়ে, হেফাজতে ইসলামের অন্তত ৫০ হাজার নেতাকমী-মুসল্লি লংমার্চে গিয়েছিলেন। মাওয়া ফেরি বন্ধ থাকায় পদ্মা পাড়ি দিয়ে মাওয়ায় এসে শনিবার ভোরে দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার অন্তত ৩০ হাজার মুসল্লি পায়ে হেঁটে লংমার্চে অংশ গ্রহণ করেন।


শনিবার সকাল ৭টার দিকে সিরাজদিখানের কুচিয়ামোড়া কলেজ মাঠে জেলার শ্রীনগর, সিরাজদিখান, লৌহজং, দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিারা জমায়েত হন। পরে সেখান থেকে হেফাজত ইসলাম-মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও মধুপুরের পীর হযরত মাওলানা আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে মিছিলের বহর নিয়ে নেতাকর্মী পায়ে হেঁটে লংমার্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এছাড়া, মুন্সীগঞ্জ সদর ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলা এলাকার হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা শনিবার ভোরে মুক্তারপুর পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় এসে জমায়েত হয়। সেখান থেকে ধলেশ্বরী নদী দিয়ে ট্রলার যোগে যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা হেফাজত ইসলামের সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে ট্রলার ও পরে পায়ে হেঁটে লংমার্চে যোগ দেন।

জাস্ট নিউজ