রামপালের রঘুরামপুর গ্রামে প্রাচীন বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপালের রঘুরামপুর গ্রামে হাজার বছরের পুরনো এক বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার হয়েছে। এরই মধ্যে বৌদ্ধবিহারের ৫টি ভিক্ষু কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে। একেকটি ভিক্ষু কক্ষের পরিমাপ ৩ দশমিক ৫ মিটার গুণ ৩ দশমিক ৫ মিটার। ধারণা করা হচ্ছে, অতীশ দীপঙ্করের সঙ্গে এ বৌদ্ধবিহারের সম্পর্ক রয়েছে। আবিষ্কৃত বৌদ্ধবিহারের নকশা অনুযায়ী, এর একটি প্রাচীর দেয়াল উত্তর দিকে ও আরেকটি দেয়াল পশ্চিম দিকে ধাবমান বলে নিশ্চিত হয়েছেন প্রত্নতত্ত্ব খননকারীরা। যে ভিক্ষু কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে, সেটি বৌদ্ধবিহারের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত।

অতীশ দীপঙ্করের বান্তুভিটার কাছে সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ও রামপাল অঞ্চলে প্রাচীন নিদর্শন এবং প্রত্নতাত্তি্বক সম্পদ উদ্ধারে ২০১১ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব জরিপ ও খননকাজ হাতে নেওয়া হয়। মুন্সীগঞ্জের ‘অগ্রসর বিক্রমপুর’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে এ অঞ্চলে প্রত্নতাত্তি্বক খনন ও গবেষণা প্রকল্প এ খনন কাজ করে আসছে। খনন ও গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন। প্রত্ন খননকাজের গবেষণা পরিচালক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সুভি মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একদল প্রত্ন খননকারী এ খননকাজ করে আসছেন।


অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের মুন্সীগঞ্জ কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ জানান, প্রত্ন জরিপ ও খননকাজের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার ছাড়াও বিক্রমপুর অঞ্চলের বেশ কিছু প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন ও প্রত্নসম্পদ উদ্ধার করা গেছে। আবিষ্কৃত বৌদ্ধবিহারের নকশা নিশ্চিত হয়েছেন তারা।

আজ শনিবার প্রাচীন বৌদ্ধবিহার আবিষ্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। দুপুর ১২টার দিকে প্রত্নসম্পদ আবিষ্কারের স্থানে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বিক্রমপুর অঞ্চলে প্রত্নতাত্তি্বক খনন ও গবেষণা প্রকল্প।

সমকাল

One Response

Write a Comment»
  1. খবরের সাথে ছবি নাই কেন ??? ছবি দিলে ভালো হয় ।