সিরাজদিখানে আ’লীগসহ ৪শ’ মানুষ গ্রাম ছাড়া

বাজারের টেন্ডার নিয়ে দু’গ্রপের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকে ফের হামলার ভয়ে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আ’লীগ নেতাকর্মীসহ ৪ শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পরিবারগুলোর শূন্য বসতভিটেয় রয়েছে কেবল ধ্বংস স্তূপের চিহ্ন। আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ায় আ’লীগ সমর্থিতদের ১২টি বসতঘর জুড়ে ছাঁইভস্মের ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। ওই ধ্বংসস্তূপে ফের বসত ঘর নির্মান করতে পারছেন না আ‘লীগ সমর্থিত পরিবারগুলো।

সিরাজদিখান উপজেলার মোল্লাকান্দি-বালুরচর গ্রামের বালুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আলেক মুন্সী ও তার সমর্থক নারী-পুরুষরা গ্রাম ছাড়া রয়েছেন।


রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিতাড়িত আ‘লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থক ৪ শতাধিক নারী-পুরুষ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেননি। এতে টানা ১২ দিন ধরে বাপ-দাদার বসতভিটে শূন্য করে গ্রামের বাইরে অবস্থান করছেন তারা।

পার্শ্ববতী আকবরনগর ও রাজনগর গ্রাম দু’টিতে অন্যের আশ্রয়ে বসবাস করছেন আ’লীগ নেতাকর্মী-সমর্থকরা।

বালুরচর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আলেক মুন্সী অভিযোগ করে জানান, প্রতিপক্ষ নুরু বাউল-নাসির মোল্লার লোকজন পেট্রোল ঢেলে তার সমর্থক আ’লীগ নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

বর্তমানে আ’লীগ সমর্থিত ৪ শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয়ে পালিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের লোকজন বীরদর্পে এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানান আ’লীগ সভাপতি আলেক মুন্সী।


তবে সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ৪ শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রামছাড়া থাকার অভিযোগটি সঠিক নয়। বিষয়টি সমঝোতা প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, বালুরচর বাজারের টেন্ডারের সিডিউল জমার শেষ দিনে ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বেলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলেক চাঁন মুন্সী ও আ‘লীগ নেতা নুরু বাউলের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ জন টেঁটাবিদ্ধসহ অর্ধশত আহত হয়। এ সময় অন্তত ১২টি বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম