নয়াপল্টনে নিহত শিবিরকর্মীর লাশ মুন্সীগঞ্জে দাফন

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে ১১তলা থেকে পড়ে শুক্রবার নিহত হওয়া শিবিরকর্মী ফজলুল করিমের (৩৫) লাশ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পর জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া উপজেলার বড়ইকান্দি ভাটেরচর গ্রামে সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তিনি ঢাকার মতিঝিলের তাজকিয়াতুল উম্মাহ মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন বলে জানা গেছে।

এরআগে নিহত শিবির কর্মী ফজলুল করিমের লাশ ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নেওয়া হয়।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবির কর্মী ফজলুল করিমের পৈত্রিক বাড়ি কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে। ৬ থেকে ৭ বছর আগে তারা গজারিয়ার বড়াইকান্দি ভাটেরচর গ্রামে নতুন বসতবাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসছে।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, শিবিরকর্মী ফজলুল করিমের লাশ ভাটেরচর গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এখানে নতুন বাড়ি করলেও গ্রামের কেউ তাদের চিনে না। তিনি শিবিরের কর্মী কিনা পরিবারের লোকজনও স্বীকার করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ফজলুল করিম শিবির কর্মী।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার জুমার নামাজের পর ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ব্যানারে শিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পুলিশ মিছিলটিকে ধাওয়া করলে জামায়াত শিবিরের বেশকিছু কর্মী নয়াপল্টনের ২৯/১ ঠিকানা নামের এক বাসায় ঢুকে পড়ে।

ওই বাসার ১১তলা থেকে অন্য বাসায় লাফিয়ে যাওয়ার সময় তিনি পড়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।

শনিবার সকালে নিহতের ভাই সোলাইমান হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে এসে তার লাশ সনাক্ত করেন। এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম