মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী শিবিরের পক্ষ নিলেন

মুন্সীগঞ্জে সমালোচনার ঝড়
মাহাবুব আলম বাবু: মুন্সীগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে নাশকতামূলক কাজের প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ছাত্র শিবিরের ৫ নেতাকর্মীর পক্ষে শুনানীতে অংশ নেওয়ায় আইনজীবী ও রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ৫মার্চ মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠিয়ে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করলে ছাত্র শিবিরের পক্ষে কাজ করতে বিরত থাকে বেশীর ভাগ আইনজীবী। এ সময়ে মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী অড্যাভোকেট মজিবুর রহমান ছাত্র শিবির কর্মীদের আইনজীবী নিযুক্ত করে রিমান্ডের আবেদনের শুনানীতে জোরালো ভাবে অংশ নিয়েছেন।

পরে আদালতের বিচারক শুনানী শেষে ছাত্র শিবির কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশের রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপরই জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনার শুরু হয়ে যায়।


শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন জানান, মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী হয়ে ছাত্র শিবির কর্মীদের নিযুক্ত আইনজীবী হওয়ায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনা চলছে। এছাড়া একজন মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী হয়ে ছাত্র শিবিরের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় শহর আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানান তিনি। তার মতো বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন বলে জানা গেছে।

সদর থানার ওসি মো. আবুল বাসার জানান, গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। এক মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী ও এক সাংবাদিক আইনজীবী ছাত্র শিবিরের পক্ষে রিমান্ড শুনানীতে অংশ নেওয়ায় বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান বলেন, তার জুনিয়র আইনজীবীরা এ মামলাটি দেখছেন। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলে পরে বিস্তারিত জানাবো বলেও জানান তিনি।

জামায়াত শিবিরের পক্ষে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

উল্লেখ্য, রোববার দিনগত মধ্য রাতে মিরকাদিম পলিটেকনিক্যাল ইনষ্ট্রিটিউটের হোস্টেল থেকে ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৫ ছাত্র শিবির নেতাকর্মীকের গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠায়।

মানবচিন্তা