মাওয়া নৌরুটে ৭ ঘন্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

পদ্মা অববাহিকায় আকষ্মিক ঘন কুয়াশার কারণে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ৭ঘন্টা ফেরিসহ সকল নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। সোমবার দিবাগত রাত ২ টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় মাঝনদীতে আড়াই শতাধিক যাত্রীবাহী যানবাহন নিয়ে নোঙরে থাকে ৯টি যাত্রীবাহী ফেরি ও একই অবস্থায় ৩টি ফেরি ২টি ঘাটের বিভিন্ন পন্টুনে ভেড়ানো থাকে। একইসাথে রাতে আসা যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি ও মালবাহী ট্রাকসহ ২শতাধিক যানবাহনকে উভয় ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকতে হয়। ফলে রাত থেকে কুয়াশার সাথে সাথে হালকা বাতাস ও গুড়িঁ- গুড়িঁ কুয়াশায় প্রচন্ড শীতের মধ্যে শত শত যাত্রীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।


বিআইডবিউটিসির ম্যানেজার বাণিজ্য শেখর চন্দ্র রায় জানান, সোমবার রাত ২টা থেকে আকষ্মিকভাবে নৌরুটের পদ্মা অববাহিকার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে প্রচন্ড মাত্রায় কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এ সময় ফেরি চালকেরা নৌরুটের ১ ফুট অদূরেও দিক-মার্কা ও সিগন্যাল বীকন বাতি নির্ণয় করতে পারছিল না। ফলে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাধ্য হয়ে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরি চালকেরা ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।


এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে আড়াই শতাধিক যাত্রীবাহী যানবাহন নিয়ে ফুললোড অবস্থায় পদ্মার মাঝনদীতে নোঙরে থাকে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, রাণীগঞ্জ, রাণীক্ষেত, থোবাল, রামশ্রী, কেতকী, কাকলী, যমুনা ও ফেরি ফরিদপুরসহ মোট ৯টি ফেরি। অপরদিকে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে একই অবস্থায় মাওয়া ঘাটে ফেরি লেংটিং, রায়পুরা এবং কাওড়াকান্দি ঘাটে রো রো ফেরি এনায়েতপুরী ফেরিসহ দুপাড়ে মোট ৩টি ফেরি পন্টুনে ভেড়ানো থাকে। একপর্যায়ে মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কুয়াশা কমে গেলে দীর্ঘ ৭ ঘন্টা পর পুনরায় নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় নৌরুটে লঞ্চ, সি-বোট ও ট্রলারসহ সব ধরনের ছোট ছোট নৌযান চলাচল শুরু হয়।

জাস্ট নিউজ