নদী শাসনের দাবিতে মাওয়ায় অবরোধ

mawa 11নদী ভাঙনরোধে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা একের পর এক আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় নদী শাসনের দাবিতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মাওয়ায় অবরোধ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। সোমবার সকাল সোয়া ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত পৌনে ২ ঘন্টা সময় ধরে মাওয়া চৌরাস্তায় মেদেনীমন্ডল ইউনিয়নবাসীর ব্যানের কয়েকটি গ্রামের ৩-৪ শতাধিক নারী-পুরুষ এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এ অবরোধের ফলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে ২ শতাধিক যাত্রীবাহী বাসসহ দূর-পাল্লার বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ে।

অবরোধকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এদিকে, অবরোধ চলাকালে বেলা ১১ টার দিকে লৌহজং উপজেলার ইউএনও মো. আশাদুজ্জামান ও লৌহজং থানার ওসি জাকিউর রহমান ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় ইউএনও অবরোধকারীদের নদী শাসনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলেও অবরোধকারীরা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যায়। পরে দুপুর ১২ টার দিকে আন্দোলনকারীদের মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদলের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সমঝোতা হয়। এ ব্যাপারে মধ্যস্থতাকারী ইউএনও মো. আশাদুজ্জামান জানান, তাদের যৌক্তিক আন্দোলনের সঙ্গে আমরা একমত পোষন করছি। আন্দোলনকারী সবার সঙ্গে তো কথা বলা যায়না। তাদের জন্য কথা বলার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
mawa 11
পরে তাদের দাবি দাওয়া আগামী ৩দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এ প্রতিশ্রুতিতে তারা অবরোধ তুলে নেন বলে ইউএনও জানান। এদিকে, মানববন্ধন ও অবরোধে বিএনপি-আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-আওয়ামীলীগ নেতা মোতালেব হোসেন, আবুল কাশেম, মহিউদ্দিন খান, রফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা পাভেল মোল্লা, যুবদল নেতা আবুল কালাম আজাদ ডালু, জাতীয় পার্টির নেতা শাহজালাল কালু, রতন মাস্টার প্রমুখ। উল্লেখ্য গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে এক মাসের ব্যবধানে ভাঙন ও ভূমিধসে মাওয়াস্থ পুরাতন ১, ২ ও ৩ নম্বর ফেরিঘাটসহ মাওয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর ভাঙন রোধের জন্য কয়েক দফা স্থানীয় এলাকাবাসী নানা কর্মসূচি পালন করে। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা ভাঙনরোধের আশ্বাস দেন।

জাস্ট নিউজ

==============

নদী শাসনের দাবিতে অবরোধ

মাওয়ায় নদী শাসনের দাবিতে সোমবার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। ২ ঘণ্টা অবরোধের পর তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, সকাল ১০ টা থেকে মাওয়া চৌরাস্তায় মেদেনীমণ্ডল ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে কয়েকটি গ্রামের কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ মহাসড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

এর ফলে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসসহ দ‍ুরপাল্লার বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ে।

এ সময় এলাকাবাসী মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। খবর পেয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে ছুটে যান।


এ সময় তিনি নদী শাসনের পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে এলাকাবাসী।

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার খালিদ হোসেন বাংলানিউজকে জানান, আন্দোলনকরীদের সঙ্গে ইউএনও এবং লৌহজং থানার ওসি জাকিউর রহমান মধ্যস্থতা করে তিন দিনের মধ্যে তাদের দাবি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

তিনি জানান, বেলা ১২ টার পর থেকে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
===============

মাওয়ায় নদী শাসনের দাবিতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ২ঘন্টা অবরোধ

নদী শাসনের দাবিতে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে সোমবার সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে ২ ঘন্টা পর দুপুর ১২ টার দিকে প্রশাসনের আশ্বাসের ভিত্তিত্বে অবরোধ তুলে নেন অবরোধকারীরা।

জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত এ এলাকায় নদী শাসনের কাজ শুরু না করে শিবচর এলাকায় বাধ নির্মানের টেন্ডার আহবান করায় সকাল সোয়া ১০টা হতে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে এ অবরোধে আশেপাশের গ্রামের ৫ শতাধিক লোক জড়ো হয়ে মাওয়া মহাসড়কের চৌরাস্তা পয়েন্ট অবরোধ করে। এতে করে দক্ষিন বঙ্গের সাথে ঢাকার সড়ক পথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে মাওয়ায় দেখা দেয় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট। আকস্মিক এ অবরোধের ফলে দুর্ভোগে পরে যাত্রীরা।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো সাইফুল হাসান বাদল জানান, অবরোধকারীদের আশ্বস্থ করা হয়েছে আলোচনার ভিত্তিত্বে সমস্যার সমাধান করা হবে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবরোধকারীদের সাথে মিটিং হবে এবং আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।


অবরোধকারী মোশারফ হোসেন খান নসু জানান, প্রশসনের আশ্বাসের ভিত্ত্বিতে অবরোধ আজকের মত তুলে নেয়া হয়েছে। তবে ৩ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচী ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ অক্টোবরের মাওয়া ফেরি ঘাটে আকষ্মিক নদী ভাঙনের ফলে ৭ ব্যক্তি পদ্মায় ডুবে নিখোঁজ হয়। এ অব্যাহত ভাঙনে মাওয়া ১ ও ২ নং ফেরি ঘাট পদ্মায় সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। ৩ নং ঘাটটিতে ফাটল দেখা দিলে পুরো ফেরি ঘাটকেই অন্যত্র সড়িয়ে নেয়া হয়। তাছাড়া ফেরি ঘাট এলাকার শতাধিক দোকানী ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভাঙনের ফলে আশেপাশের মাওয়া, মামুদপট্রি, উত্তর মেদিনী মন্ডল, কুমারভোগ, কান্দিপাড়া, যশলদিয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙনে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভিটা ছাড়া হয় অনেক পরিবার।

এ নিয়ে গত ৩ ও ৫ নভেম্বর মাওয়ায় আন্দোলন করলে প্রশাসনের পক্ষে থেকে ১৫ দিনের মধ্যে নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু অদ্যাবদি কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। অথচ মাওয়ার মত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা না হওয়া সত্ত্বেও ওপাড়ে শিবচর এলাকায় ৯৭ কোটি টাকার বাধের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ