মুন্সিগঞ্জে ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রি হচ্ছে দেদারছে

দীর্ঘদিন ধরে মুন্সিগঞ্জে ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রি করে আসছে মুন্সিগঞ্জের ফল ব্যাবসায়ীরা। দেদারছে বিক্রি হয়েছে এ সকল মরণ বিষযুক্ত ফল। ফলে মুন্সিগঞ্জের যত্রতত্র ফলের দোকান গড়ে উঠেছে। অনেকদিন পর হলেও এই প্রথম মুন্সিগঞ্জে ফরমালিনের পরীক্ষা করতে অভিযান চালানো হয়েছে। সদর থানার নির্বাহী কর্মকতা সারাবান তাহুরার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

৩টি দোকানের মধ্যে মাসুমের দোকান থেকেই আঙ্গুর (সবুজ-কালো) ১২ কেজি, কমলা দেশী বিদেশী ১৩কেজি অপর দোকান আমির হোসেন, পার্শ্বের একই মালিকের একটিসহ মোট ৩টি দোকান থেকে ৬৫ কেজি ৮০০ গ্রাম ফরমালিনযুক্ত ফল পাওয়া গেছে। দেশী-বিদেশী ফলে পর্যাপ্ত পরিমানের ফরমালিনযুক্ত ফল পাওয়ায় নগদ ৫হাজার টাকা করে মোট ১১হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফরমালিন পরীক্ষা করা হচ্ছে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুন্সিগঞ্জের কাচারি থেকে শুরু করে মাছ বাজার পর্যন্ত সকল দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেছে।
কয়েকদিন পূর্বেও জুবলী রোডের এখানেই ফলব্যবসায়ী নুরনবী ও জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে এই প্রথম ফরমালিন নামক বিষ মিশ্রিত ফল পাওয়ার অপরাধে মামলা করার বিষয় ২টি মামলা করেছেন।


মুন্সিগঞ্জ ফল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ বাদামতলী এলাকার ফল ব্যবসায়ীরাই ফর মালিন মিশ্রিত ফল বিক্রি করে। মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করে আমাদের দেখিয়ে দেয় ফরমালিন নেই। কিন্তু আজ পরীক্ষা করার পর সেই ফলেই ফরমালিন পাওয়া গেছে। বাদামতলীর শাহজালাল এন্টার প্রাইজ, রফিক এন্টারপ্রাইজ থেকে মুন্সিগঞ্জ ফল ব্যবসায়ীরা বেশীরভাগ ফল পাইকারী ক্রয় করে মুন্সিগঞ্জে এনে খুচরা বিক্রয় করেন।
উপস্থিত তাই সাধারণ ক্রেতাদের একটিই প্রশ্ন এ ধরনের ফল ব্যবসায়ীদের ৫হাজার টাকা জরিমানা না করে ১ থেকে ২লাখ টাকা জরিমানা করলে অবৈধ ফল ব্যবসা বন্ধ করবে নচেৎ তারা তাদের এ ব্যবসা চালিয়ে যাবে। মামলা দিলে আদালতে গিয়ে কয়েক টাকা খরচ করে চলে আসবে।

ফরমালিন পরীক্ষা করার কোন যন্ত্র না থাকায় মুন্সিগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে ফল বিক্রেতারা দেদারছে ফরমালিনযুক্ত ফল বিক্রিয় করে আসছে। এই অভিযানের ফলে হয়তবা ফরমালিনযুক্ত করা ফল বিক্রি কিছুটা কমবে বলে ধারনা করছে সচেতন মহল। মুন্সিগঞ্জে মাছ বাজারের মাছে প্রচুর পরিমাণে ফরমালিন দিয়ে দেদারছে চলছে মাছ বিক্রি।

ইউপিবিনিউজ ২৪