৮ বছর পর টঙ্গীবাড়ী আওয়ামীলীগের কাউন্সিল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ৮ বছর পর আওয়ামীলীগের কাউন্সিল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে এখানে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। উপজেলা কমিটিতে নিজের পদবীসহ নাম রাখার জন্য কর্মীরা উপজেলার নেতাদের বাড়িতে তদবিরে নেমে পড়েছেন। উপজেলা কমিটিতে সবচেয়ে বড় পদ হচ্ছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ। আর এই পদে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যচ্ছে। তবে এই দুটি পদের প্রার্থীদের মধ্যে গ্রুপিং ও লবিং রয়েছে। টঙ্গীবাড়ী-লৌহজং-২ আসনের এমপি হচ্ছেন হুইপ সাগুপ্তা ইয়াসমিন এমিলি। তার সমর্থন আদায়ে একটি গ্রুপ তদবিরে মাঠে আছেন। অন্যদিকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফর রহমানের সমর্থন আদায়ে বিপরীত তদবিরের খবর পাওয়া যাচ্ছে।


সভাপতি পদে প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বর্তমান সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু। জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার হেদায়েত মল্লিক বাদল। সাধারণ সম্পাদক পদে আধ ডজনের বেশি প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে মাঝি বংশের তিনজনের নাম জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। তারা হচ্ছেন আব্দুল্লাহপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক মিয়া বাচ্চু মাঝি। লিটন মাঝি। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য গিয়াসউদ্দিন মাঝি। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) এমিলি পারভিন। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ। আউটশাহী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি হাফিজ আল আসাদ বারেক। হাফিজ আল আসাদ বারেককে আওয়ামীলীগের এক শীর্ষ নেতা সমর্থন করছে বলে জানা গেছে। গত বিএনপি সরকারের সময় মানিক মিয়া বাচ্চু মাঝি বিদেশে চলে যান। এই সরকার ক্ষমতায় আসলে তিনি সে দেশে ফিরে আসেন। কোন সরকার বিরোধী আন্দোলনে সেই সময় মানিক মিয়া বাচ্চু মাঝিকে পাওয়া যায়নি।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ