এসএসসি: হল সুপার ও কক্ষ পরিদর্শক বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি

মুন্সীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরীক্ষাথীদের কম সময় দেয়ার কারণে এক হল সুপার ও এক কক্ষ পরিদর্শক বরখাস্ত করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয় উপকেন্দ্রে ২৫ পরীক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট পর নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয় এবং সময় শেষ হবার ৫ মিনিট আগেই উত্তরপত্র ছিনিয়ে নেয়া হয় বলে পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় কক্ষ পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে দুই বছরের জন্য বরখাস্ত এবং উপ কেন্দ্রটির হল সুপার মাহমুদুর রহমানকে এবছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল রাত ৯টায় জানান, দুই শিক্ষককে পরীক্ষার কার্যক্রম থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় এডিসি সাগরিকা নাসরিনকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেন এই উপ কেন্দ্রের উপ-সচিব ও বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের বরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, শ্যামলনী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্ম বিষয়ের শিক্ষক মো হাবিবুর রহমান কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।

জেলার ২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৮২০ জন । সদর উপজেলার ২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে একটি বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয় । রিকাবী বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রামপাল এনভিএম উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় ও রিকাবী বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এই ৪টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের সিট এই বিদ্যালয়ে পড়ে। যেখানে ৯টি কক্ষে ৪ টি বিদ্যালয়ের ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থী । ৩০৩ নম্বার কক্ষে থাকা রামপাল এনবিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার্থী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট পর প্রশ্নপত্র তাদের হাতে তুলে দিলে কারো পক্ষেই সম্ভব হয়ে উঠেনি পুরো প্রশ্নের উত্তর দেয়া অন্যদিকে নিজেদের সন্তানেদের ভাগ্যনিয়ে দুশ্চিন্তায় পরেছেন অবিভাবকরা।

মুন্সীগঞ্জ নিউজ
=================

পরীক্ষার হলে দায়িত্বে অবহেলায় হল সুপার ও কক্ষপরিদর্শককে অব্যাহতি

রাজীব রাজীব হোসেন বাবু: মুন্সিগঞ্জের রামপাল এন.বি.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী ৪০জন ছাত্র-ছাত্রীর ২০মিনিট পূর্বেই পরীক্ষার খাতা নিয়ে নেয়ায় বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। ফলাফল খারাপ হওয়ার অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পরীক্ষা কেন্দ্র। বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০৩ নং কক্ষের পরীক্ষক ১০ মিনট পর প্রশ্নপত্র ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌছান, পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ১০মিনিট পূর্বেই খাতা নিয়ে নেয়ায় পরীক্ষায় পাশ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে ৪০জন ছাত্র-ছাত্রীর। এ বছর রামপাল এন.বিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রী ১৭৫ জন। এদের মধ্যে ৪০জন ছাত্র-ছাত্রীর পরীক্ষা পাশের বিষয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।ফলে এ নিয়ে ২ঘন্টা ধরে কেন্দ্রে চরম উত্তেজনার পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঐ পরীক্ষককে উদ্ধার করে কেন্দ্র সচিবের কাছে পাঠানো হয়। পরে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল শ্যাম নলিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হাবিবুর রহমানকে ২বছরের জন্য সকল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ থেকে বরখাস্ত করেন।

এ বিষয়ে ৩০৩ নং কক্ষের রামপাল এন.বি.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী সারমিন, সাবিনা, আয়শা জানান, আমাদের পরীক্ষার প্রশ্ন দিতে ১০মিনিট দেরী করেছে। আবার পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ১০মিনিট পূর্বেই খাতা নিয়ে গেছে। ফলে আমরা নৈমিত্তিক প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারিনি। আমরা বাংলা প্রথম পত্রে নির্ঘাত ফেল করবো। আমাদের জন্য হল সচিব, কেন্দ্র সচিব প্রশাসন কেউ কিছু করল না, আমাদেরকে শুধু শান্তনা দিলো। আমাদের জীবন এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটছে। আমরা এক স্কুলের ৪০জন ছাত্র-ছাত্রী জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কোন অধিকার কারো নাই।

রামপাল এন.বি.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বলেন, এটি একটি এক্সিডেন্ট, পরীক্ষায় ২০মিনিট অংশ গ্রহণ না করতে পারায় যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য কিছু করার নেই। তবে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের অনুরোধ করা হয়েছে।

সহকারি কেন্দ্র সচিব, বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরেন্দ নাথ বিশ্বাস বলেন, পরীক্ষা দেয়ার সময় নৈমিত্তিক পরীক্ষার প্রশ্ন দিতে গিয়ে ১০মিনিট দেরী করে। আবার শেষ হওয়ার ১০মিনিট পূর্বেই হল পরিদর্শক হাবিবুর রহমান সকলের খাতা নিয়ে নেন। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা বাহিরে বের হয়ে আন্দোলন শুরু করলে অভিভাবকসহ সকল ছাত্র-ছাত্রী বিক্ষোভে ফেটে পরে। অবস্থার অবনতি হলে পুলিশকে খবর দিয়ে হল পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে পুলিশ পাহারায় কেন্দ্র সচিবের কাছে নিয়ে আসা হয়। পরে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল ৩০৩ নং কক্ষ পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে ২বছরের জন্য সকল পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বরখাস্ত করেন।

এ বিষয়ে মুক্তারপুর নৌ-ফাড়ীর ইনচার্জ এস.আই মোশাররফ হোসেন জানান, ২০মিনিট পূর্বেই ৩০৩নং কক্ষের ৪০জন পরীক্ষার্থীর খাতা নিয়ে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকগণ বিক্ষোভে ফেটে পরে এই খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঐ কক্ষের কক্ষ পরিদর্শককে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে কেন্দ্র সচিবের কাছে পৌছে দিয়ে আসি।

কেন্দ্র সচিব জানান, কক্ষ পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে ২বছর, ও হল সুপার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমানকে ১বছরের জন্য সকল পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল বলেন, নৈমিত্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দিতে ৫মিনিট দেরী করেছে। ৪০জন ছাত্র নয় ঐ কক্ষে ছাত্র-ছাত্রী ছিল ২৫জন। দায়িত্বে অবহেলার জন্য হল হল সুপার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মাহমুদুর রহমানকে ১বছরের জন্য এবং কক্ষ পরিদর্শক হাবিবুবর রহমানকে ২বছরের জন্য সকল পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

ইউএনএসবিডিডটকম
=====================

মুন্সীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় হল সুপার ও পরিদর্শক বরখাস্ত

শেখ মোহাম্মদ রতন: এসএসসি’র বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরীক্ষার্থীদের ১০ মিনিট কম সময় দেয়ায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের হল সুপার ও কক্ষ পরিদর্শককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

পরীক্ষা শেষ হবার নির্দিষ্ট সময়েরও ১০ মিনিট আগে পরিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উত্তরপত্রের খাতা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগের কারণে কক্ষ পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে দু’বছরের জন্য বরখাস্ত এবং উপকেন্দ্রটির হল সুপার মাহমুদুর রহমানকে এক বছরের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার রাতে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বাদল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এই অপ্রীতিকর ঘটনায় জরুরী মিটিংয়ের মাধ্যমে দুই শিককে পরীার কার্যক্রম থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং একই ঘটনায় এডিসি সাগরিকা নাসরিনকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার উপ-কেন্দ্রের উপ-সচিব সোমবার জানান, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শ্যামলনি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান ৩০৩ নম্বর একটি করে দায়ীত্বে ছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনাটি তিনিই ঘটিয়েছেন। এ কে সদর উপজেলার রামপাল এনবিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ওই কেন্দ্রের ৯টি কে ৪ টি বিদ্যালয়ের ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এ প্রসঙ্গে ৩০৩ নং করে রামপাল এনবিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীার্থী সারমিন আক্তার জানান, আমাদের পরীক্ষার প্রশ্ন দিতে ১০ মিনিট দেরী করেছে। আবার পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ১০মিনিট পূর্বেই খাতা নিয়ে গেছে। ফলে আমরা নৈমিত্তিক প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণ লিখতে পারিনি। এতে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় এ করে ৪০ জন পরীক্ষার্থীর ফেল করার আশঙ্কা রয়েছে।

এব্যাপারে কেন্দ্র সচিব জানান, ক পরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে ২বছর, ও হল সুপার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক মাহমুদুর রহমানকে ১বছরের জন্য সকল পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল বলেন, নৈমিত্তিক পরীার প্রশ্নপত্র দিতে ৫মিনিট দেরী করেছে। ৪০জন ছাত্র নয় ওই কে ছাত্র-ছাত্রী ছিল ২৫জন। দায়িত্বে অবহেলার জন্য হল হল সুপার বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক মাহমুদুর রহমানকে ১বছরের জন্য এবং ক পরিদর্শক হাবিবুবর রহমানকে ২বছরের জন্য সকল পরীার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

ইনিউজ
==========