নবদম্পতিকে নির্যাতনের দায়ে সিরাজদিখানে ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

স্বামী-স্ত্রীকে অন্যায়ভাবে আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে এক ইউপি চেয়াম্যানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার নাম আলিম-আল রাজি (৪০)। তিনি উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এছাড়া একই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে এলাকার চৌকিদার ফুলচাঁনকে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নিজ বাড়ি পশ্চিম কাকালদি থেকে চেয়ারম্যান ও চৌকিদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। আদালত জামিন না-মঞ্জুর করলে বিকেল ৪টার দিকে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. কুদ্দুসুর রহমান জানান।

সিরাজদিখান থানার এসআই আবু হানিফ জানান, কাকালদি গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে রিপন শেখ (৩৫) ভালোবেসে নার্গিসকে (২০) নামে এক তরুণীকে সোমবার ঢাকা কোর্টে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন। বিয়ে করার পর সোমবার দুপুরে রিপন তার নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফিরেন। এতে নার্গিসের বাবা আবুল হোসেন নব-দম্পতিকে চেয়ারম্যান আলিম আল রাজির বাড়িতে নিয়ে আটক করে রাখে। পরে বিকেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলী হোসেন ঢালী, আবুল হোসেন, আক্তার মিয়া, চুন্নু, মজিদ, চৌকিদার ফুলচাঁন, আল-আমিনসহ একদল লোক তাদের মারধর করে। এ সময় ওই নবদম্পতি অচেতন হয়ে পড়েন। স্বজনরা মুমূর্ষু রিপন ও নার্গিসকে হাসপাতালে নিতে চাইলে সেখানেও বাধা দেন তারা। পরে রিপন ও নার্গিসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোমবার রাতে রিপন শেখ বাদী হয়ে চেয়ারম্যানসহ ৯ জনকে আসামি করে সিরাজদিখান থানায় নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন।

জাস্ট নিউজ

===================

সিরাজদিখানে নবদম্পতিকে ‘বেত্রাঘাতের’ অভিযোগে ইউ পি চেয়ারম্যান ও চকিদার গ্রেফতার

সিরাজদিখান উপজেলায় এক নবদম্পতিকে শালিশে বেত্রাঘাতের অভিযোগে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিম আল রাজী ও চৌকিদার ফুলচান (৪২) কে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। জানা যায়, উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম কাকালদি গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে রিপন শেখ (৩৫) ও একই গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে নারগিসের সঙ্গে তার প্রেম ছিল। দুই পরিবার সম্মতি না দেয়ায় সোমবার তারা ঢাকার জেলা জজ আদালতের বিয়ে নিবন্ধন করান। এরপর গ্রামে ফিরলে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিম আল রাজী রাতে সুলতান চৌকিদারের মারফত তাদের দুজনকে নিজের অফিসে ডেকে পাঠান। পরে শালিশের মাধ্যমে নব দম্পতি দুজনকে বেত্রাঘাত করে বলে অভিযোগ করেন রিপন শেখ। এ ব্যাপারে রাতেই মোঃ রিপন শেখ (৩৫) বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় অভিযোগ করেন। তার অফিযোগের ভিত্তিতেই সিরাজদিখান থানা পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আজিম আল রাজীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি মেয়েকে কোনো বেত্রাঘাত করিনি। মেয়ের মায়ই তাকে শাসন করে নিয়ে গেছে। আমি ষড়যন্ত্রের স্বীকার, আমাকে যড়সন্ত্র করে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এই ধরনের কোনো অপরাধের সাথে জড়িত নই। সিরাজদিখান থানার ডিওটি অফিসার জানান, এব্যাপারে সিরাজদিখান থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং ২৩/২৯/০১/১৩ ইং।

কালবেলা
=================

প্রেম করে বিয়ে করায় বেত্রাঘাত, গ্রেফতার ২

প্রেম করে বিয়ে করার ‘অপরাধে’ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় শালিসের মাধ্যমে এক দম্পতিকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা ও গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আল রাজী ও চৌকিদার সুলতানকে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মধ্যপাড়ার কাকলদি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে সকালে নির্যাতিত রিপন শেখ বাদী হয়ে মধ্যপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আল রাজীসহ স্থানীয় ৯ মাতব্বরকে আসামি করে সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করেন।


সিরাজদিখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফ জানান, সোমবার রাতে কাকালদি গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে অনুষ্ঠিত শালিস বৈঠকের মাধ্যমে নববিবাহিত রিপন শেখ (৩৬) ও নার্গিস আক্তার (২৪) দম্পতিকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা ও গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার রায় ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকার একটি আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন কাকালদি গ্রামের নবু শেখের ছেলে রিপন ও একই গ্রামের আবু হোসেনের মেয়ে নার্গিস আক্তার। বিয়েটি ছেলেমেয়ের পরিবার মেনে না নেওয়ায় উভয়পক্ষ চেয়ারম্যানের বাড়িতে থেকে শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

শালিসে রিপন ও নার্গিসকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা হয় এবং তাদের গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে, ২৫ বেত্রাঘাতে নার্গিস অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ইছাপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
================

প্রেম করে বিয়ে করায় বেত্রাঘাত, গ্রেফতার ২

প্রেম করে বিয়ে করার ‘অপরাধে’ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় শালিসের মাধ্যমে এক দম্পতিকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা ও গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আল রাজী ও চৌকিদার সুলতানকে গ্রেফতার করেছে সিরাজদিখান থানা পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে মধ্যপাড়ার কাকলদি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে সকালে নির্যাতিত রিপন শেখ বাদী হয়ে মধ্যপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আল রাজীসহ স্থানীয় ৯ মাতববরকে আসামি করে সিরাজদিখান থানায় মামলা দায়ের করেন।

সিরাজদিখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হানিফ জানান, সোমবার রাতে কাকালদি গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে অনুষ্ঠিত শালিস বৈঠকের মাধ্যমে নববিবাহিত রিপন শেখ (৩৬) ও নার্গিস আক্তার (২৪) দম্পতিকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা ও গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার রায় ঘোষণা দেওয়ার অভিযোগে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উলেস্নখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকার একটি আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন কাকালদি গ্রামের নবু শেখের ছেলে রিপন ও একই গ্রামের আবু হোসেনের মেয়ে নার্গিস আক্তার। বিয়েটি ছেলেমেয়ের পরিবার মেনে না নেওয়ায় উভয়পক্ষ চেয়ারম্যানের বাড়িতে থেকে শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। শালিসে রিপন ও নার্গিসকে ২৫টি করে বেত্রাঘাত করা হয় এবং তাদের গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিকে, ২৫ বেত্রাঘাতে নার্গিস অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ইছাপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

টিএনবি