মুন্সীগঞ্জে ৩০ ফিলিং স্টেশন বন্ধ

কমিশন বৃদ্ধিসহ ৯ দফা দাবিতে ডাকা ধর্মঘটের কারণে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ও ঢাকা-মুন্সীগঞ্জে রোববার দিনভর ৩০টি ফিলিং স্টেশন ও পেট্রোল পাম্প বন্ধ রয়েছে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে জেলার লৌহজং, শ্রীনগর ও সিরাজদীখান উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২৩টি এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জেলার গজারিয়া উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে আরও সাতটি ফিলিং স্টেশন ও পেট্রোল পাম্প বন্ধ রয়েছে।


পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুদ থাকলেও যানবাহনগুলোতে পেট্রোল-ডিজেল সরবরাহ করা হয়নি। সারাদিন এসব ফিলিং স্টেশনে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়। সড়ক-মহাসড়কগুলোতে পূর্ণিমা, সিকদার, তালুকদার, হাষাড়া, শ্রীনগর, ভূঁইয়া, সরদার, জিএমআই, রংধনু, ইসলাম, ষোলঘর, রহমান, দাউদকান্দি, ফিদা, মা, মোহাম্মদীয়া, বালিগাঁও, দোহার পেট্রোল পাম্পসহ ৩০টি ফিলিং স্টেশন ও পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট পালন করে।

শ্রীনগর ফিলিং স্টেশনের মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, লিটারপ্রতি ৭ টাকা তেলের দাম বাড়ায় ৯ হাজার লিটারের লরিতে ৬৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধিতে লরিভাড়া, ব্যাংকের ডিডি, ভ্যাটসহ সবই বেড়ে গেছে; অথচ বাড়েনি তাদের কমিশন। তাই কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ধর্মঘট চলছে। পাম্প মালিকরা আরও অভিযোগ করেন, তুলনামূলক কমিশন না বাড়ার কারণে পাম্প মালিকদের জ্বালানি তেল ব্যবসায় জোর করে চুরি প্রবণতার দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সমকাল