টঙ্গীবাড়ীর রিপন হত্যা মামলার আসামী স্বামী ও স্ত্রীর জামিন আবেদন নাকোচ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার ২ আসামী সামসূল (৪০) ও তার স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩৮) এর জামিন আবেদন নাকোচ করে দিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আমলী আদালত ৪ এর বিচারক নার্গিস সুলতানা আসামীদের জামিন আবেদন নাকোচ করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। বাদী পক্ষে এডভোকেট রোজিনা ইয়াসমিন এবং আসামী পক্ষে এডভোকেট মজিবুর রহমান জামিন শুনানিতে অংশগ্রহন করেন। আসামী সামসূল কাঠাদিয়া গ্রামের মৃত সোনাজউদ্দিন সেখের ছেলে এবং হাজেরা সামসূল এর স্ত্রী। উত্তর শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারী জমি উদ্ধার করতে গিয়ে আসামীদের রোসানলে পরেন বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি রিপন। রিপনকে হত্যার ৫ দিন পূর্বে এই স্থাণীয় মহিলা মেম্বার হাজেরার নেতৃত্বে রিপনের কল্লা চাই বলে মিছিল করে এলাকার কতিপয় দূর্বৃত্ত।


উল্লেখ্য, গত ০২ই জুন ২০১২ইং তারিখে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.রিপন ফকির (৪০) কে ধারালো চাপাতি দিয়ে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে সে মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই স্বপন বাদী হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় একই গ্রামের মিলনকে প্রধান আসামী করে মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। এই মামলায় ইতিপূর্বে ৬ জন আসামী মুন্সীগঞ্জ জেলা হাজতে রয়েছেন। বর্তমানে আসামী হাবিবুর রহমান ও ওয়াহেদ পালাতক রয়েছে এবং জামিনে রয়েছেন ৩ আসামী।

মামলার বাদী স্বপন জানান, জামিনপ্রাপ্ত আসামীরা ও তাদের আতœীয় স্বজনরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে প্রান নাশের হুমকী প্রদাণ করছে। ইতিমধ্যে সে এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানায় দুইটি সাধারণ ডায়রি করেছে। সে আরো জানায়, আজোও মুন্সীগঞ্জ আদালত মাঠে তার মামা কিরণ সেখকে হুমকী প্রদান করে আসামীগনের কতিপয় ভারাটিয়া সন্ত্রাসী। সে আসামী ও তাদের আতœীয়দের ভয়ে বিভিন্ন স্থানে আতœগোপন করে দিনাতিপাত করছেন।

বাংলাপোষ্ট