গ্রামের বাড়িতে নিউগিনিতে নিহত শ্রমিকের দাফন

lavluদক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের পাপুয়া নিউগিনিতে নিহত বাংলাদেশী শ্রমিক লাবলু হাসানের (৪০) লাশ এসেছে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রন্‌ছ-রুহিতপুর এলাকাস্থ গ্রামের বাড়িতে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছে নিহত এ শ্রমিকের লাশ। পরে শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টায় মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার নিহতের গ্রামের বাড়িতে লাশ পৌঁছলে শোকের মাতম শুরু হয়। স্বজনদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠে। পাপুয়া নিউগিনিতে গত ৬ই জানুয়ারি রাতে অসুস্থ্য হয়ে বিনা চিকিৎসায় মারা যান লাবলু হাসান।


এদিকে, বেলা ১১টার দিকে গ্রামের বাড়ি এলাকার জামে মসজিদে নিহতের নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কাটাখালী কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। নিহত শ্রমিক লাবলু হাসানের স্ত্রী ও ৩ সন্তান রয়েছে। তিনি সেখানকার আব্দুল মালেক মাদবরের ছেলে।

জাস্ট নিউজ
==========

পাপুয়া নিউগিনিতে মৃত শ্রমিকের লাশ মুন্সীগঞ্জে দাফন

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের পাপুয়া নিউগিনিতে মালিক পক্ষের অবহেলা ও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরন করা বাংলাদেশি শ্রমিক লাভলু হাসানের (৪২) লাশ মুন্সীগঞ্জের কাটাখালি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

গত ৬ জানুয়ারি রোববার পাপুয়া নিউগিনিতে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রনছ গ্রামের লাভলু মারা যান। এর ৫ দিন পর শুক্রবার দিনগত রাত ৩টার দিকে তার লাশ মুন্সীগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছে।

জানা গেছে, ২ বছর আগে সাড়ে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ রুহিতপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মাদবরের ছেলে লাভলু পাপুয়া নিউগিনিতে গিয়ে আবুল কালাম নামে এক বাংলাদেশির মালিকানাধীন কে আর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগদান করেন।

৩ মাস আগে লাভলু অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোম্পানির মালিক আবুল কালাম অসুস্থ লাভলুর চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা করেনি। চিকিৎসার অভাবে লাভলু গত রোববার মারা যান।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম