পাপুয়া নিউগিনিতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু: লাশ আসবে শুক্রবার রাতে

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের পাপুয়া নিউগিনিতে মালিক পক্ষের অবহেলায় বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলার লাভলু হাসান (৪২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার চিকিৎসার অভাবে তিনি মারা যান। শুক্রবার রাত ৯টায় তার লাশ বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

লাভলু মুন্সীগঞ্জের রনছ রুহিতপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মাদবরের ছেলে।

লাভলুর ভাই মো. নুরুল হক জানান, এ মৃত্যুর ঘটনায় মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, ২ বছর আগে সাড়ে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে লাভলু পাপুয়া নিউগিনি গিয়ে কে আর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন। এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবুল কালাম নামে এক বাংলাদেশি।

গত ৩ মাস আগে লাভলু অসুস্থ হয়ে পড়েন। মালিকপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লাভলুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি। চিকিৎসার অভাবে লাভলু গত রোববার মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে তার লাশ পাপুয়া নিউগিনির হিমঘরে রাখা হয়েছে।


তিনি অভিযোগ করে জানান, চিকিৎসার অভাবে লাভলুর মৃত্যু হলেও জেলার শ্রীনগর উপজেলার আবুল কালাম বা মালিকপক্ষ তাদের বিষয়টি জানায়নি। সে দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মাধ্যমে লাভলুর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তারা।

তিনি আরও জানান, পাপুয়া নিউগিনিতে থাকা বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় লাভলুর লাশ শুক্রবার রাত ৯টায় বাংলাদেশে পৌঁছাবে।

অন্যদিকে, একই এলাকার রনছ ভূঁইয়া বাড়ির আব্দুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে আক্তার হোসেন ২০১০ সালের জানুয়ারিতে হ্যাপি এন্টারপ্রাইজে ম্যানেজার পদে চাকরি নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তাকে ম্যানেজারের পরিবর্তে পাহাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন তিনি।


এ দায়িত্ব পালনের সময় আক্তার হোসেন মালিকের কাছে বেতন চাইলে তিনি সে দেশের স্থানীয় মাতালদের লেলিয়ে দেন তার ওপর। এতে মাতালরা তাকে ছুরিকাহত করে টাকাসহ অন্যান্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

এরপর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ার পর জোর করে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে আক্তারকে দেশে পাঠিয়ে দেয় মালিক পক্ষ।

আক্তার জানান, একই মালিকের কে আর এন্টারপ্রাইজ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিরা নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হচ্ছে অহরহ।

সদর উপজেলার দনি কেওয়ার গ্রামের মো. রোস্তম আলী হাওলাদারের ছেলে মেহেদী হাসান জানান, তিনিও সাড়ে ৬ লাখ টাকা দিয়ে ২০০৯ সালে পাপুয়া নিউগিনিতে গিয়েছিলেন। সেখানে দেড় বছর থাকার পর মেহেদী হাসান দেশে ফিরে আসেন।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
===============

পাপুয়া নিউগিনিতে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু: বাড়ীতে শোকের মাতম

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের পাপুয়া নিউগিনিতে মালিক পক্ষের অবহেলায় বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার লাভলু হাসান (৪২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার চিকিৎসার অভাবে তিনি মারা যান। আজ শুক্রবার রাত ৯টায় তার লাশ বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। এই খবরে বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

লাভলু মুন্সিগঞ্জের রনছ রম্নহিতপুর গ্রামের আব্দুল মালেক মাদবরের ছেলে। লাভলুর ভাই মো. নুরম্নল হক জানান, এ মৃত্যুর ঘটনায় মালিকের বিরম্নদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রসত্মুতি নিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, ২ বছর আগে সাড়ে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে লাভলু পাপুয়া নিউগিনি গিয়ে কে আর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরম্ন করেন। এ প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবুল কালাম নামে এক বাংলাদেশি।

গত ৩ মাস আগে লাভলু অসুস্থ হয়ে পড়েন। মালিকপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত লাভলুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি। চিকিৎসার অভাবে লাভলু গত রোববার মৃত্যুবরণ করেন। বর্তমানে তার লাশ পাপুয়া নিউগিনির হিমঘরে রাখা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে জানান, চিকিৎসার অভাবে লাভলুর মৃত্যু হলেও জেলার শ্রীনগর উপজেলার আবুল কালাম বা মালিকপক্ষ তাদের বিষয়টি জানায়নি। সে দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মাধ্যমে লাভলুর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তারা। তিনি আরও জানান, পাপুয়া নিউগিনিতে থাকা বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় লাভলুর লাশ শুক্রবার রাত ৯টায় বাংলাদেশে পৌঁছাবে।

অন্যদিকে, একই এলাকার রনছ ভূঁইয়া বাড়ির আব্দুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে আক্তার হোসেন ২০১০ সালের জানুয়ারিতে হ্যাপি এন্টারপ্রাইজে ম্যানেজার পদে চাকরি নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর তাকে ম্যানেজারের পরিবর্তে পাহারাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন তিনি।

এ দায়িত্ব পালনের সময় আক্তার হোসেন মালিকের কাছে বেতন চাইলে তিনি সে দেশের স্থানীয় মাতালদের লেলিয়ে দেন তার ওপর। এতে মাতালরা তাকে ছুরিকাহত করে টাকাসহ অন্যান্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

এরপর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ার পর জোর করে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে আক্তারকে দেশে পাঠিয়ে দেয় মালিক পক্ষ। আক্তার জানান, একই মালিকের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘কে আর এন্টারপ্রাইজ’ নামে রয়েছে। সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিরা নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হচ্ছে অহরহ।

সদর উপজেলার দনি কেওয়ার গ্রামের মো. রোসত্মম আলী হাওলাদারের ছেলে মেহেদী হাসান জানান, তিনিও সাড়ে ৬ লাখ টাকা দিয়ে ২০০৯ সালে পাপুয়া নিউগিনিতে গিয়েছিলেন। সেখানে দেড় বছর থাকার পর মেহেদী হাসান দেশে ফিরে আসেন।

টিএনবি