শততম প্রদর্শনীর দিকে 'বিনোদিনী'

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এবং ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট [আইটিআই] বাংলাদেশ কেন্দ্র আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী একক অভিনয়ের উৎসবের সমাপনী আজ। সন্ধ্যা ৭টায় স্টুডিও থিয়েটার হলে রয়েছে নাসির উদ্দীন ইউসুফের নির্দেশনায় ঢাকার থিয়েটারের ‘বিনোদিনী’। কথা বলেছেন নাটকটির অভিনয়শিল্পী শিমূল ইউসুফ

একক অভিনয়ের উৎসব নিয়ে কিছু বলুন।
এতদিন ধরে গ্রুপ থিয়েটারে একক নাটকের চর্চা কম ছিল। আগে গ্রামে-গঞ্জেই শুধু একক অভিনয়ের পালাগুলো হতো। এখন অবশ্য নাট্যাঙ্গনেও এই ধারা ছড়িয়ে পড়ছে ইতিবাচকভাবে। দর্শকরাও একক অভিনয়ের নাটকগুলো উৎসাহ নিয়ে দেখছেন। ফলে নাট্যদলগুলোও এ ধরনের কাজে উৎসাহিত হচ্ছে।

‘বিনোদিনী’ তো ধীরে ধীরে শততম প্রদর্শনীর দিকে যাচ্ছে।

আজ এর ৯৩তম প্রদর্শনী। আর ছয়টি প্রদর্শনীর পরই ‘বিনোদিনী’র ১০০তম প্রদর্শনী হবে। ইচ্ছা আছে শততম প্রদর্শনীকে স্মরণীয় করে রাখতে আলাদা কিছু করার। আর একটা কথা না বললেই নয়, স্টার থিয়েটারের বিনোদিনী চরিত্রে অভিনয় করছি এটা ভাবলেই নিজেকে খুব ভাগ্যবান বলে মনে হয়।

একক অভিনয়ের নাটক নির্মাণে প্রতিবন্ধকতা কী কী বলে মনে করেন?
এই ধরনের নাটকের পাণ্ডুলিপি খুব কম আমাদের দেশে। তাছাড়া একক অভিনয়ের নাটক করা সত্যিই কঠিন একটি বিষয়। এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট চর্চার প্রয়োজন। ফলে প্রচুর সময় দিতে হয়। কিন্তু নাট্যাঙ্গনের মানুষ খুব কম সময় দেয় বলে একক অভিনয়ের নাটকের সংখ্যাও হাতেগোনা।

‘গেরিলা’ ছবির গান নিয়ে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত। এই ছবির গান তৈরি করতে গিয়ে মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় একাত্তরে ফিরে গেছি। এ অনুভূতি একেবারে আলাদা। শ্রোতাদের কাছ থেকেও ভালো সাড়া পাচ্ছি।

[ad#bottom]