মূর্তিতে ঘষলেই লোহা স্বর্ণখণ্ড

গুজবে তোলপাড় শ্রীনগর
বিষ্ণুমূর্তিতে ঘষলেই লোহা সোনা হয়ে যাচ্ছে! সেই মূর্তিতে লোহা ঘষে অনেকেই ‘স্বর্ণখণ্ড’ পেয়েছেন- এমন গুজবে বৃহস্পতিবার সারাদিন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে তোলপাড় চলে।

বৃহস্পতিবার সকালে পাথরের ঘষায় লোহা সোনা হওয়ার গজব ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোক স্বর্ণখ-ের লোভে শ্রীনগর উপজেলার কোলাপাড়া গ্রামে ছুটতে থাকেন।

সবার গন্তব্য গ্রামের মনসুর আলীর বাড়ি। লক্ষ্য সেখানে রাখা বিষ্ণুমূর্তিতে সঙ্গে আনা লোহার খন্ডটি ঘষে দেখা।

উল্লেখ্য, এলাকার লোকজনের মাঝে দীঘীদন ধরে প্রচলিত ধারনার ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাতে পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে কোলাপাড়া গ্রামের ওই বাড়ির পুকুর থেকে একটি বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করা হয়।

তবে ওই মূর্তির স্পর্শে লোহা সোনায় রূপন্তরিত হয়- এটি শেষ পর্যন্ত নিছক গুজব বলে প্রমাণিত হয়। এসময় কেউ কেউ বলতে থাকেন এটি একটি কষ্টি পাথরের মূর্তি।

মূর্তিটি পরে শ্রীনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে উদ্ধার করা মূর্তিটি কষ্টিপাথরের কিনা- তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত। মূর্তির গুণাগুন জানতে পুলিশ এলাকার স্বর্ণকারদের ডেকে আনে। তবে তারাও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

শ্রীনগর থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন বাংলানিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীনগর থানায় অনেকে লোহা হাতে ছুটে এসেছেন। তাদের বিশ্বাস, এই বিষ্ণুমূর্তিতে লোহা ঘষলেই তা সোনা হয়ে যায়। কিন্তু, ঘষার পর তা আর সোনা হয়নি! এটি মানুষের বিশ্বাস মাত্র! এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

অপরদিকে গ্রামবাসীরা জানান, অনেকে পুকুরে নেমে বিষ্ণুমূর্তিতে লোহা ঘষে সোনা পেয়েছেন। তবে, এ ঘটনা কেউ চোখে দেখেননি বলেও জানান তারা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা মূর্তিটির ওজন দেড় মণ।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

[ad#bottom]