এ সরকারের আমলেই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, এ সরকারের মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ার আগেই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, সরকার দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠনে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ খাতকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। অক্টোবর মাসে দরপত্রের মাধ্যমে কাজ দেয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া এলাকার কাছে পদ্মা নদীস্থ ‘ভাষা শহীদ বরকত’ নামে বিআইডবিস্নউটিএ’র রো রো ফেরিতে চুক্তি স্বাক্ষরের পর তিনি এ কথা বলেন।

বিশ্ব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস নগোজি ওকানোজো আইওয়েলা বলেন, বিশ্ব ব্যাংক এই প্রথম এশিয়ায় কম সুদে এতো বড় প্রকল্পে সহায়তা করছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন হবে। তবে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুকে একটি আন্তর্জাতিক মানের সেতু হিসেবে দেখতে চায়।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) একে খন্দকার, যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জাতীয় সংসদের হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ও ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য এটি একটি জরুরি প্রকল্প। এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সেতুটি চালু হলে এ অঞ্চলে কলকারখানা গড়ে উঠবে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্প হবে দুর্নীতিমুক্ত। আর এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও হস্তক্ষেপ করছেন। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে দরপত্র চুক্তি যথাযথভাবে হওয়ার জন্য পরামর্শ নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিশ্ব ব্যাংক এ প্রকল্প ছাড়াও অন্যান্য প্রকল্পে সহায়তা করেছে।

এর আগে বিশ্ব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পৌনে ১২টার দিকে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে মাওয়ায় অবতরণ করেন। পরে লৌহজং উপজেলার মাওয়া ফেরিঘাটের কাছে কুমারভোগ এলাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করেন।

[ad#bottom]