পঞ্চমবারের মতো উৎসব করছি

২৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নৃত্য উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা। গতকাল শনিবার থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায় শুরু হয়েছে এ উৎসব। উৎসব নিয়ে বললেন এই সংগঠনের সভাপতি লায়লা হাসান।

গতকাল থেকে শুরু হলো ‘জাতীয় নৃত্য উৎসব’। এবারের উৎসব নিয়ে কিছু বলুন।

এবারের উৎসব আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার ৪০ বছর ও রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবর্ষ উপলক্ষে উৎসবটি অন্য মাত্রা পেয়েছে। পঞ্চমবারের মতো আমরা এ উৎসব আয়োজন করেছি। ঢাকার পাশাপাশি সারা দেশ থেকে নৃত্যশিল্পীরা অংশ নিচ্ছেন এখানে। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ নাচের অনুষ্ঠান। প্রতিদিন বিকেল পাঁচটায় থাকছে ছোটদের পরিবেশনা আর সন্ধ্যা সাতটা থেকে নৃত্য পরিবেশন করবেন বড়রা। এ ছাড়া প্রতদিন বেলা তিনটা থেকে শুরু হবে নৃত্যমেলা।

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষে কী পরিকল্পনা করছেন?
ওই দিন আমাদের এ উৎসব শেষ হবে। সমাপনী অনুষ্ঠানটি হবে জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে। নৃত্যানুষ্ঠান তো থাকবেই, শোভাযাত্রা হবে, সঙ্গে থাকবে পদক বিতরণ। এ ছাড়া একটা সেমিনারও হবে। স্বাধীনতার ৪০ বছর উপলক্ষে আমরা সেমিনারের বিষয় নির্বাচন করেছি—‘বাংলাদেশের নৃত্যকলায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন’। মূল প্রবন্ধটি আমিই উপস্থাপন করব। অন্যরা আলোচনা করবেন।

এবার এই উৎসব শুধু ঢাকাতেই হচ্ছে?

ঢাকায় আমরা বড় আয়োজন করেছি। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, শেরপুর, ফরিদপুর ও বগুড়াতে একই সময় নৃত্য উৎসবের অনুষ্ঠান হচ্ছে। আবার ওখানকার শিল্পীরা ঢাকায় আসছেন অনুষ্ঠান করতে।

রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবর্ষ উপলক্ষে কী পরিকল্পনা করছেন?
উৎসবের পরই রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবর্ষ উপলক্ষে আয়োজন শুরু হবে। জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্রনাথের সার্ধশততম জন্মবর্ষ উপলক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠান হবে ৬ থেকে ৮ মে আর ভারতের কলকাতায় ৮ থেকে ১০ মে। দুটি আয়োজনেই আমরা নাচকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এ উপলক্ষে দুটি গীতিনৃত্যনাট্য তৈরি হচ্ছে—চিত্রাঙ্গদা ও চণ্ডালিকা। রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে নাচ তো থাকবেই।