ফখরুদ্দীন ও মইন ১৮ এপ্রিল হাজির না হলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেবে সংসদীয় উপকমিটি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ও প্রাক্তন সেনাপ্রধান মইন উ আহমদ আগামী ১৮ এপ্রিল হাজির না হলে তাদের সন্ধান চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপ-কমিটি। উপ-কমিটির আহ্বায়ক রাশেদ খান মেনন গতকাল আমাদের সময়-কে একথা জানান।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের আগষ্টে জরুরি অবস্থার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুটবল খেলার মাঠকে কেন্দ্র করে সংঘঠিত সেনা-ছাত্র-শিক্ষক সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য উপ-কমিটির আগামী ১৮ এপ্রিল সংসদ ভবনে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠেয় বৈঠকে ফখরুদ্দীন ও মইনকে হাজির হতে বলা হয়েছে। ফখরুদ্দীনের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সংসদ সচিবালয়ের কমিটি শাখা-৭ এর সিনিয়র সহকারী সচিব শাহ মাহমুদ সিদ্দিক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ২৯ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বরাবরে পাঠানো হয়। অন্যদিকে, মইনকে হাজির করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার বরাবর।

মেনন জানান, জেনারেল (অব.) মইন এরইমধ্যে তার একজন প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন উপ-কমিটির এক কর্মকর্তার কাছে। মইন পরোক্ষভাবে প্রস্তাব দিয়েছেন যে- তিনি টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য দিতে চান। তবে উপ-কমিটি তাকে লিখিত বক্তব্য দিতে বলেছে। জেনারেল মইন এ-ও প্রস্তাব দিয়েছেন, তিনি উপ-কমিটির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে বসতে চান। মেনন জানান, মইনের এই বিকল্প প্রস্তাবও নাকচ করা হয়েছে। উপ-কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, মইনকে বৈঠকে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবেই বসতে হবে। পরে মইনের প্রতিনিধি উপ-কমিটিকে জানান, তিনি তার (মইন) সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তিতে আবার উপ-কমিটিকে অবহিত করবেন।

রাশেদ খান মেনন জানান, তবে ফখরুদ্দীনকে হাজির করা না করার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের পক্ষ থেকে উপ-কমিটিকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে উপ-কমিটির আহ্বায়ক বলেন, আমরা ধারণা করছি- মইন সাহেব হয়তো লিখিত বক্তব্য পাঠাবেন। যদি পাঠিয়ে থাকেন তাহলে তা নিয়ে আমরা ১৮ এপ্রিলের বৈঠকে আলোচনা করবো। উপ-কমিটির সদস্যদের সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। উল্লেখ্য, ড. ফখরুদ্দীন ও জেনারেল (অব.) মইন দু’জনই বর্তমানে দেশের বাইরে।

শামছুদ্দীন আহমেদ:

[ad#bottom]

Leave a Reply