প্রসঙ্গ : ড. মুহাম্মদ ইউনূস- প্রবাসীদের প্রতিবাদ সভা

নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অপসারণের প্রতিবাদে জাপান প্রবাসীরা রাজধানী টোকিওতে এক প্রতিবাদ সভা করে। সাপ্তাহিক পাঠক ফোরাম জাপান, জাপান প্রবাসীদের সহযোগিতায় এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। জাপানে ভূমিকম্প, সুনামি এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিস্ফোরণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে গেলে সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তার মধ্যেও টোকিও এবং আশপাশ জেলাগুলো থেকে প্রবাসীরা প্রতিবাদসভায় সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রতিবাদ জানায়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন রাহমান মনি

স্বাগত বক্তব্যে রাহমান মনি বলেন, সম্মানিত উপস্থিতি, জাপানের ১৪০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প এবং সুনামিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দুর্যোগ মুহূর্তে আপনাদের সহযোগিতায় আপনাদের প্রিয় সাপ্তাহিক পাঠক ফোরাম জাপানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বরাবরের মতো উপস্থিত হয়ে যে সম্মান আমাদের দেখিয়েছেন তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ এবং শ্রদ্ধায় মাথা অবনত। আপনারা আমার সালাম এবং ধন্যবাদ গ্রহণ করুন। যতটুকু মনে পড়ে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে ২০০৬ সালের ১৫ অক্টোবর আমরা এই হলেই একত্রিত হয়েছিলাম একজন শ্রদ্ধে ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে। সেই মহান ব্যক্তিটি অপরিবর্তিত থাকলেও বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বিপরীত বা ভিন্ন। ১৫ অক্টোবর ২০০৬ ছিল আনন্দ-উল্লাসের। সেখানে আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস একাত্ম হয়ে আনন্দ-উল্লাসে অংশীদার হয়েছিল। আর আজ আমরা উপস্থিত হয়েছি সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে। আজ দূতাবাস আমাদের সঙ্গে নেই। আছে কেবল নৈতিক দায়িত্ববোধ।

যে ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করার প্রতিবাদ জানাতে আজ আমরা একত্রিত হয়েছি তা আপনারা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মাধ্যমে ইতোমধ্যে জেনে গেছেন। তার পরিচয় দিতে তার নামের আগে কোনো বিশেষণের প্রয়োজন লাগে না। তবে যেটুকু না দিলেই না হয়। তিনি হলেন, বাংলাদেশের গর্ব, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা, সামাজিক ব্যবসার প্রবক্তা, নোবেল বিজয়ী একমাত্র বাংলাদেশি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এমতাবস্থায় সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। প্রতিবাদ জানানোর জন্য একত্রিত হয়েছি। আমাদের প্রতিবাদ সাপ্তাহিক-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিতে চাই যে, আমরা অসভ্য জাতি নই। আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে পারি, অন্যায়কে প্রশ্রয় দেই না। চাপিয়ে দেয়া কোনো অন্যায় আমরা মেনে নিই না। তবে আমাদের প্রতিবাদ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়।

আমরা যেমন কারোর স্তুতিও গাইব না তেমনি কাউকে অন্যায় আক্রমণও করব না। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় প্রতিবাদ জানাব। যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক ফায়দা লুটা থেকে বিরত থেকে নিজে বলব এবং অন্যের বক্তব্য শুনব। আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

আমি আজকের এই প্রতিবাদ সভার সভাপতিত্ব করার জন্য সাপ্তাহিক পাঠক ফোরাম জাপানের সম্মানিত সভাপতি, বিশিষ্ট ছড়াকার, লেখক বদরুল বোরহানকে অনুরোধ করছি। অনুরোধ জানাচ্ছি সাপ্তাহিক জাপান প্রতিনিধি, পরবাস সম্পাদক কাজী ইনসানুল হককে আজকের সভা পরিচালনা করার জন্য।

কাজী ইনসান : ধন্যবাদ রাহমান মনি। সম্মানিত প্রবাসী ভাই/বোনেরা, আপনারা রাহমানের সূচনা বক্তব্যে আজকের বিষয়বস্তু জেনে গেছেন। জাপান থাকার সুবাদে আপনারা জানেন, মাত্র একদিন আগে জাপানে ভূমিকম্প এবং সুনামিতে ব্যাপক জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জাপানে যে সমস্ত বন্ধুগণ মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আমরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করব। আসুন আমরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করি। এখানে অনেককে হয়ত আমরা বলার সুযোগ দিতে পারব না সময় স্বল্পতার কারণে। তাছাড়া যোগাযোগ মাধ্যম ভেঙে যাওয়ায় বাড়ি ফেরার তাড়াও আছে। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে একই কথার পুনরাবৃত্তি না করে মূল এবং নিজস্ব বক্তব্য পেশ করবেন।
গোলাম মাসুম জিকো : প্রথমেই জাপানের এই দুর্যোগ মুহূর্তে সমস্ত প্রবাসীর পক্ষ সমবেদনা জানাচ্ছি। ড. ইউনূসকে অনৈতিক অপসারণ এবং বিশ্ব মিডিয়ায় তা প্রকাশ দেশ ও জাতির জন্য বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এটা বন্ধ করা অতি জরুরি। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের যে নেতিবাচক ভাবমূর্তি সৃষ্টি হয়েছে এর থেকে বেরিয়ে আসা আমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। প্রবাস থেকে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে অপসারণ আদেশ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাচ্ছি।

দেলোয়ার হোসেন : ড. ইউনূসের অর্জন তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল। কারোর অর্জনকে ছিনিয়ে নেননি। তার অর্জনকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। সরকার দেশ ও দলের কথা না ভেবে, তাদের প্রয়োজনীয় যেমন গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, যানজট সমস্যার সমাধান না করে দেশের জন্য বয়ে আনা সম্মান ছিনিয়ে নেয়ায় নোংরা এবং স্বৈরাচারী পথ বেছে নিয়েছে। যে অন্যকে সম্মান দিতে জানে না সে নিজেও সম্মানিত হয় না।

লিপিকা চৌধুরী : আমি একজন গৃহিণী। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ অতটা বুঝি না, তবে এইটুকু বুঝি যে ড. ইউনূস আর এখন ব্যক্তি ইউনূস নন। ইউনূস একটি প্রতিষ্ঠান। জাপানি কলেজ লেবেলের পাঠ্যপুস্তকে একজন বাংলাদেশির স্থান যে বাংলাদেশি হিসেবে আমার জন্যও কতটা গৌরবের তা আমি কিভাবে কুচক্রী মহলকে জানাব। সেইদিন বেশি দূরে নয় যেদিন কেবল ড. উইনূস কিংবা গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর গবেষণা করে বিশ্বব্যাপী লোকজন ডক্টরেট ডিগ্রি নেবে। সাপ্তাহিক পাঠক ফোরাম বিষয়টি অনুধাবন করে সময়োপযোগী এবং সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে তাই তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমি তীব্র প্রতিবাদ এবং ড. ইউনূসকে স্বপদে বহালের জোর দাবি জানাচ্ছি।

হাসিবুল হাসান আরিফ : বাংলাদেশের স্বার্থে সাপ্তাহিক পাঠক ফোরাম জাপান তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ প্রশংসার দাবিদার। এজন্য সাপ্তাহিক-কে ধন্যবাদ। স্যারকে নিয়ে যে নোংরামি হচ্ছে তার প্রতিবাদ জানাই। স্যারকে জাপানসহ সারা বিশ্ব যে সম্মান দেয় তা আমরা বাংলাদেশিরা দেই না। বাংলাদেশিরা বলতে ঢালাওভাবে সবাই না। দুধের মধ্যে একফোঁটা ময়লা যেমন পুরো বালতির দুধ নষ্ট করে দেয় তেমনি কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল পুরো বাংলাদেশের চোনা। আমি ওকিনাওয়াতে দেখেছি, তারা বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের পতাকা না চিনলেও ড. ইউনূসকে কিন্তু সবাই চিনে। এবং সেই দেশের নাগরিক হিসেবে আমাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা করে। ড. ইউনূসের একটি অর্জন সারা বিশ্বে প্রবাসী এবং বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করেছে।

এ জেড এম জালাল : স্যারের নোবেল পাওয়ার মাত্র একদিন পরেই রাহমান মনির সহযোগিতা এবং উদ্যোগে এই হলেই আমরা আনন্দ-উল্লাস করেছি। ঐড়ঃবষ ঙশঁৎধ-তে একমাস পরে জাপানে রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে করেছি। তারও বেশ কিছুদিন পর ২০০৭ সালে মুভ মাচিয়ায় আমরা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছি। সবই করেছি স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসায় এবং দেশের প্রতি সম্মান বয়ে আনার জন্য। কর্মক্ষেত্রে আমাদের মূল্যায়ন স্যারের কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ সেই মহান ব্যক্তিটি আজ তার নিজ দেশেই হিংসার শিকার। স্যারকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে শুধু হিংসা থেকে। স্যারকে নিয়ে প্রতিবাদ সভা করতে হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি।

বেলায়েত হোসেন তুহিন : আইন যেন তার নিজস্ব গতিতে চলে বা চলতে দেয়া হয়। এটা যেন আমাদের সম্মানহানিতে রূপ না পায়। আদালতকে প্রভাবিত করা কোনো সভ্য সরকারের কাজ হতে পারে না। এখানেই এটা বন্ধ করে, এখনো যতটুকু ইমেজ অবশিষ্ট আছে তা কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে কাজ করা উচিত। নতুবা পরে মাসুল দিতে হবে।

ইমতিয়াজ চৌধুরী বাদল : জাপানে আমি নতুন এসেছি। স্যার যখন নোবেল পান তখন বাংলাদেশি হিসেবে গর্ব করেছি দেশে থেকেই। আর আপনারা জাপান থেকে কে কেমন করেছেন তা আন্দাজই করতে পারি, আর আজ স্যারকে নিয়ে যা হচ্ছে তাতে বাংলাদেশি এবং একইসঙ্গে প্রবাসী হিসেবে আমি নিজেও অপমানবোধ করছি। অন্যান্য দেশের লোকজনও স্যারের এই সময় বাংলাদেশের ভূমিকায় বিরূপ মন্তব্য করে যা বাংলাদেশি হিসেবে বিব্রত হই। আমরা হয়ত মাইক্রোক্রেডিট কি তা-ই জানি না বা কিভাবে এর বাস্তবায়ন তাও জানি না। বিশ্ব জানে। তাই বিশ্ব স্যারকে মূল্যায়ন করে। স্যারকে দাওয়াত করে তার কাছ থেকে শুনতে চায়। আমি স্যারের সুস্বাস্থ্য কামনা করি। স্যার যেন ভালো থেকে দেশ ও দশের জন্য আরো কিছু করতে পারেন।

সজল বড়–য়া : ধন্যবাদ সাপ্তাহিক পাঠক ফোরামকে। স্যার ছোটবেলা থেকেই আমার পরিচিত। পারিবারিকভাবেও আমরা জড়িত। স্যারের ছোট ভাই আমার বন্ধু। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল এবং একজনকে জোর করে মানুষের হৃদয়ে আসন দেয়ার জন্য অন্যকে সরানোর এই ন্যক্কারজনক কর্মকা-ের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কাউকে যেমন জোর করে হৃদয়ের আসন থেকে সরানো যায় না, তেমনি কাউকে জোর করে বসানোও যায় না। বয়স এখানে ফ্যাক্টর না। হিংসা এখানে কাজ করছে। ড. ইউনূস কেন এত জনপ্রিয়তা পাবে সারা বিশ্বে, কেন বিশ্ব বাংলাদেশকে ইউনূসের দেশ বলবে, বিশ্ব মিডিয়ায় স্থান পাবে, বিদেশিরা এসে দেখা করবে এই হিংসা থেকেই তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

সানাউল হক : সাপ্তাহিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে যে ভূমিকা সোচ্চার হয়ে পালন করছে এই জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন দেশে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা রয়েছে। আরো শাখা খোলার আমন্ত্রণ আসছে। এতে করে মানুষ বাংলাদেশকে চিনছে। প্রবাসে বাংলাদেশিরা বিশেষ সম্মান পেয়ে থাকে ইউনূস স্যারের কারণে। তিনি কেবলমাত্র বাংলাদেশি কিন্তু স্বার্থান্বেষী মহলের শিকার নন। এখানে একাধিক চক্রও কাজ করছে বলে মনে করি। সেই সব আন্তর্জাতিক চক্র এদেশীয় তাদের এজেন্ট দিয়ে কাজ করাচ্ছে। তারা বিক্রি হচ্ছেন।

রেজাউল করিম রেজা : এই প্রবাসেও স্যারের সঙ্গে ছবি তুলে তা দেখিয়ে জাপান সরকারের অনুকম্পা পেয়েছে। কেউ বা নববর্ষ কার্ড বানিয়ে প্রচার করেছে অথচ আজ তারা কোথায় ? কাউকে তো দেখছি না। বাংলাদেশ ব্যাংক আজ যে বয়সের কথা বলছে এতদিন তারা ছিল কোথায়। অডিট হওয়ার সময় বিষয়টি ধরা না পড়ার দায়িত্ব কে নিবে ? ১০ বছর ওভার হওয়ার জন্য যদি স্যারকে অপসারণ করা হয় তাহলে এতদিন না দেখায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গবর্নর, অর্থমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী কোন নৈতিকতায় স্বীয় পদে বহাল থাকেন ?
মাকসুদুল আলম : সরকার অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে না। পূর্ববর্তী সরকারের গীবত গাওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারছে না। গীবতও অবশিষ্ট নেই তাই ড. ইউনূসের পেছনে লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় কর্তৃক স্যারকে হেনস্থা করার প্রয়াস হাস্যকর। বন্ধুমহলে এবং আদালতসহ বিভিন্ন মহলে ই-মেইল বার্তা শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশের জন্য যার কোনো অবদান নেই, তার কাছ থেকে দেশের জন্য মায়া আশা করা যায় না।

বদরুল বোরহান : ধন্যবাদ সবাইকে। সময় স্বল্পতার কারণে যাদেরকে কিছু বলার সুযোগ দেয়া গেল না তার জন্য দুঃখিত। ভবিষ্যতেও আপনারা সাপ্তাহিক-এর আহ্বানে সাড়া দেবেন এই প্রত্যাশা করি। যে কোনো সরকার তার পতনের দুয়ার সে নিজেই খুলে দেয়। ড. ইউনূসকে হেনস্থা করা হয়ত-বা এই সরকারের পতনের দুয়ার। জাপান প্রবাসীদের প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে সে যাত্রা শুরু। ভবিষ্যতে হয়ত অনেক দেশেই প্রবাসীরা বিভিন্ন কর্মসূচি দিবে। স্যার যে একা নন, বাংলাদেশিরা যে স্যারকে ভালোবাসেন, স্যারকে নিয়ে গর্ব করেন জাপানে আজকের এই প্রতিবাদ সভা তারই স্বাক্ষর প্রমাণ করে। স্যার আপনি ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন, আমরা এই প্রত্যাশাই করি।

শ্রুতিলিখন : বদরুল বোরহান
ছবি : রাহমান আশিক

[ad#bottom]