এক সপ্তাহে তিন বাড়ীতে ডাকাতি, ৪০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

টঙ্গীবাড়ীতে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় গত এক সপ্তাহে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। এক সপ্তাহে উপজেলা শিমুলিয়া, বালিগাও ও কুরমিরা গ্রামে তিনটি বাড়ীতে দুধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের আমজাদ মল্লিকের বাড়ীতে ডাকাতি হয়। এ সময় ডাকাতরা ১০ ভরি স্বর্নালংকার নগদ টাক সহ প্রায় আট লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়। আমজাদ মল্লিক জানান, রাত আড়াইটার দিকে এক দল স্বসস্ত্র ডাকাত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘড়ে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে রসি দিয়ে বেধে মারধর করে ডাকাতি করে চলে যায়।

পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এর আগে গত ৩১শে মার্চ উপজেলার বালিগাও মাঝ পাড়া এলাকার মজিবর শেখ এর বাড়ীতে ডাকাতি হয়। ডাকাতরা মজিবর শেখ ও তার ভাই নুরু মিয়ার ঘড়ে ঢুকে ৭০ ভরি স্বর্নলংকার সহ নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ সময় ডাকাতরা মজিবর শেখ ও তার স্ত্রী সালেহা বেগম, নুরু মিয়া ও তার স্ত্রী শিউলি বেগম ও তার মেয়ে রিয়াকে ব্যাপক মারধর করে। নুরু মিয়া জানান, ১৫-১৬ জনের একটি ডাকাত দল ঘড়ের দরজা ভেঙ্গে ঘড়ে ডুকে তাদের মারধর করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করে চলে যায়। অপর দিকে গত সোমবার রাতে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কুরমিরা গ্রামের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতি হয়েছে।

এতে ডাকাতরা ২১ ভড়ি স্বর্ণালংকার, নগদ ৩৭ হাজার টাকা, ৫টি মোবাইল ফোন সহ সর্বমোট ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন জানান, রাত ২টার দিকে ৮ থেকে ৯জন লোক ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে এবং আমার প্রতিবন্ধি ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সবকিছু নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে টঙ্গীবাড়ী থানার এস.আই বিল্লাল হোসেন ও সুজিৎ কুমার ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। এস.আই বিল্লাল হোসেন জানান আমরা জড়িতদের ধরার জন্য চেষ্টা চালাবো। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা প্রতি বছরই এ মৌসুমে এ অঞ্চলে ব্যাপক হারে ডাকাতি হয় তারা পুলিশের পাহারা নিয়ে প্রশ্ন করেন- এ সময় পুলিশ কি করেন। এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা জানান, রাতে আমাদের পুলিশের টহল দল রাস্তায় থাকে যেহেতু ডাকাতি বিভিন্ন বাড়ীতে হয় সে জন্য জনগনের সজাগ থাকা প্রয়োজন।

মোজাফফর হোসেন
০১৯১৫৬৭৬৬৮২

[ad#bottom]