মোল্লাকান্দিতে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫

বিএনপির এক সমর্থককে মারধরের জের ধরে মুন্সীগঞ্জের চরাঞ্চল মোল্লাকান্দির ৩টি গ্রামে রোববার দুপুরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে বিক্ষিপ্ত বোমাবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নারীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় আফজাল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনার পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ভয়ে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের রাজারচর গ্রাম।

জানা গেছে, রোববার দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের রাজারচর, মাকহাটি ও মহেশপুর গ্রামে বিএনপি দলীয় আক্তারবাগ-জাকির হোসেন ও আওয়ামী লীগের যমু মিয়া-খায়রুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে বোমাবাজি ও সংঘর্ষ হয়।

আহতদের মধ্যে সাথী আক্তার, মাসুমা, এলাহী, মামুন ওরফে গিট্টু মামুন, কাউসার, তপন, আমান ও সোনা মিয়াকে গোপনে বিভিন্ন প্রাইভেট কিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন উভয় গ্রুপের সমর্থকরা। আহত বাকিরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

আহতদের বেশির ভাগই বোমার স্পি­ন্টারে আঘাতপ্রাপ্ত বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার সকালে চরডুমুরিয়া বাজার এলাকায় বিএনপি সমর্থক সানাউল্লাহর ছেলে মামুনকে আওয়ামী লীগ সমর্থক যমু মিয়া ও খায়রুদ্দিন গ্রুপের লোকজন মারধর করে। এতে আহত মামুনকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ও তার সমর্থক আক্তারবাগ গ্রুপের অস্ত্রধারী অর্ধশতাধিক দলীয় কর্মী পশ্চিম মাকহাটি গ্রামে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ সমর্থক যমু মিয়া ও খায়রুদ্দিন গ্রুপের লোকজনও পাল্টা বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়।

একপর্যায়ে মাকহাটি গ্রাম থেকে বোমাবাজি ছড়িয়ে পড়ে রাজারচর ও মহেশপুর গ্রামে। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

এ প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাংলানিউজকে বলেন, ‘পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি এখন শান্ত।’

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

[ad#bottom]